উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সন্দেহের বশবর্তী হয়ে নিজের স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর তাঁর দেহের পাশে বসে একটি চাঞ্চল্যকর সেলফি তুললেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, ছবিটি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “বিশ্বাসঘাতকতার মূল্য মৃত্যু।” এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোয়েম্বাটোরে। রত্নপুরী থানার পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম বালামুরুগান (Balamurugan), বাড়ি তিরুনেলভেলি (Tirunelveli)-তে। তাঁর স্ত্রীর নাম শ্রী প্রিয়া (Sri Priya)। দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রিয়া কোয়েম্বাটোরের একটি মহিলা হোস্টেলে থেকে কাজ করতেন, যা বালামুরুগানের বাসস্থান থেকে দূরে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বালামুরুগান সন্দেহ করতেন যে, শ্রী প্রিয়ার অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এই সন্দেহ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। ঘটনার দিন তিনি শ্রী প্রিয়ার হোস্টেলে যান এবং তাঁকে তাঁর সঙ্গে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। শ্রী প্রিয়া সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে দুজনের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়। এই বিবাদের চরম মুহূর্তে বালামুরুগান তাঁর কাছে লুকিয়ে রাখা একটি ধারালো কাস্তে (sickle) বের করে শ্রী প্রিয়ার উপর আক্রমণ করেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর, অভিযুক্ত বালামুরুগান অদ্ভুত শান্তভাবে স্ত্রীর নিথর দেহের পাশে বসে থাকেন। এরপরই তিনি স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহের সঙ্গে একটি সেলফি তোলেন। সেই ছবিটিই তিনি তাঁর সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস হিসেবে পোস্ট করেন, ক্যাপশনে লেখেন, “বিশ্বাসঘাতকতার মূল্য মৃত্যু।”খবর পেয়ে রত্নপুরী পুলিশ (Rathnapuri Police) ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বালামুরুগানকে গ্রেপ্তার করে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
