CM Suvendu Adhikari pays tribute to Kothari brothers, first martyrs in Ayodhya

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


নয়ের দশকে কলকাতার বাড়ি থেকে পালিয়ে অযোধ্যায় গিয়েছিলেন করসেবক হয়ে। লক্ষ্য মহান হলেও বেশিদূর এগোতে পারেননি কুড়ির কোঠায় পা রাখা রাম ও শরদ কোঠারি। অযোধ্যার প্রথম শহিদ হিসেবে তাঁদের নাম রয়েছে ইতিহাসের পাতায়। কলকাতার সেই কোঠারি ভাইদের সম্মানে সংঘ পরিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে শনিবার যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ন্যাশনাল লাইব্রেরির অনুষ্ঠান থেকে শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তা, ‘‘আগে ৬ ডিসেম্বর শৌর্য দিবস পালনের অনুমতি মিলত না। আমার ইচ্ছে থাকলেও হাত বাঁধা ছিল। কিন্তু বাংলায় আর সাধুসন্তদের অপমান বরদাস্ত করব না।”

বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর হিন্দুধর্ম রক্ষণাবেক্ষণে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে বন্দে মাতরম আবেগ, সংঘের সম্প্রসারণ – নানা কাজ চলছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপির তৎপরতায়। চলছে রাষ্ট্রবাদী ও সনাতনী চেতনা জনতার মাঝে আরও বেশি করে প্রচার চলছে। শনিবার কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে সংঘ পরিবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেসবই আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাম কোঠারি, শরদ কোঠারি প্রতিভা সম্মানজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবাংলার জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের বের করতে হবে। আমরা ক্ষমতায় এসেই সীমান্ত সুরক্ষিত করেছি।”

আরও পড়ুন:

২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার। ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে সংঘের অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী, ছবি: কৌশিক দত্ত

দেশের চিরাচরিত সিস্টেমের দুর্বল দিক তুলে ধরে সদ্যই দিল্লির দরবারে প্রতিবাদ দেখিয়েছে জেন জি। তার ধাক্কায় রীতিমতো নড়েচড়ে বসতে হয়েছে কেন্দ্রের শাসকদলকে। প্রতিবাদের সেই একই ছবি অহরহ দেখা যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কলকাতার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে। ‘দেশদ্রোহীদের আখড়া’ বলে যাদবপুরের দুর্নামও রয়েছে। সম্প্রতি ছাত্র বিক্ষোভে জেরে সেখানে বেশ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ছাত্রসমাজের মাঝে রাষ্ট্রবাদী চেতনার অভাব আছে, তাঁদের বোঝাতে হবে সেই আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শনিবারও ন্যাশনাল লাইব্রেরির অনুষ্ঠানে সেকথা মনে করিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, ‘‘যুব প্রজন্মের মধ্যে সনাতনী, রাষ্ট্রবাদী চেতনা আনতে হবে। আমরা নিয়ম করে দিয়েছি, স্কুলে-মাদ্রাসায় পুরো বন্দে মাতরম গাইতে হবে।”

ভালো কাজ নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতার কথা শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। বললেন, আমি তো যোগীজির (উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ) সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছি। উনি নিজের রাজ্যে ২৬ কোটি গাছ লাগিয়েছেন। আমি এখনও ১০ কোটি লাগিয়েছি। ১২৫ দিনের কাজের প্রকল্প, ভিবিজি রামজি-র আওতায় আমরা এই গাছের যত্ন নেব। গাছ লাগালেই হবে না, ঠিকমতো যত্ন না করলে বাঁচানো যায় না। জিরামজি-তে আমরা এই কাজ করব। তিন বছর পর্যন্ত তার যত্ন নিতে হবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *