CM Suvendu Adhikari meets injured journalist from CJP protest at SSKM

CM Suvendu Adhikari meets injured journalist from CJP protest at SSKM

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


নিট কেলেঙ্কারির বিরোধিতার নামে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন জানিয়ে শুক্রবার বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা প্রতিবাদ মিছিল তুমুল বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়েছে। মিছিল শেষে ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভ থেকে কার্যত ‘জঙ্গিপনা’ হয়েছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল ছোড়া হয়। রেহাই পাননি আন্দোলনের খবর করতে যাওয়া সাংবাদিক, চিত্রসাংবাদিকরাও! তাঁরা ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়া ‘বহিরাগত’দের হামলায় আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন ভর্তি এসএসকেএমে হাসপাতালে। রাতেই তাঁদের দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ‘আসল’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁদের জন্য সাংবাদিকদের এই অবস্থা, তাঁদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আক্রান্তদের দেখতে এসএসকেএমে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, শুক্রবার রাতে। নিজস্ব ছবি

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কড়া সুরে জানালেন, ‘‘কটা দিন অপেক্ষা করুন, ওদের কী করতে হয়, আমি জানি। এই ‘শুক্রবারি’দের দেখিয়ে দেব।” মুখ্যমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এসএসকেএমে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর মন্তব্য, ‘‘এটা কোনও ছাত্র আন্দোলনের রূপ নয়। এটা চূড়ান্ত স্বৈরাচার। যেসব ভিডিও দেখলাম, তাতে প্রতিবাদীদের যা কথা শুনলাম, তাতে আমি বিস্মিত। ভাবতেই পারছি না এটা ছাত্রদের আন্দোলন!” 

শুক্রবার রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার সেন্টার অর্থাৎ যেখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের চারজন সাংবাদিক ও চিত্রসাংবাদিক চিকিৎসাধীন, সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। আহতদের খোঁজখবর নিয়ে, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা  বেরিয়ে আসেন আধঘণ্টার মধ্যে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কড়া সুরে জানালেন, ‘‘কটা দিন অপেক্ষা করুন, ওদের কী করতে হয়, আমি জানি। এই ‘শুক্রবারি’দের দেখিয়ে দেব।” মুখ্যমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এসএসকেএমে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর মন্তব্য, ‘‘এটা কোনও ছাত্র আন্দোলনের রূপ নয়। এটা চূড়ান্ত স্বৈরাচার। যেসব ভিডিও দেখলাম, তাতে প্রতিবাদীদের যা কথা শুনলাম, তাতে আমি বিস্মিত। ভাবতেই পারছি না এটা ছাত্রদের আন্দোলন!” 

‘ককরোচ’দের সমর্থনে কলকাতার মিছিল থেকে এই হামলা নিয়ে এক সমর্থক অভিযোগ তুলেছেন, মিছিলে অ্যান্টি-ন্যাশনাল বা দেশদ্রোহীরা মিশে গিয়েছিল। তারাই পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার পর অবশ্য মিছিলের অন্যতম উদ্যোক্তা দেদীপ্ত গঙ্গোপাধ্যায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ‘‘ঝামেলা চাইলে আসবেন না। যাঁরা অশান্তি চাইছেন তাঁদের আন্দোলন করে আসার প্রয়োজন নেই। এই গুন্ডামি আমরা চাইছি না। আমরা আমাদের দাবি নিয়েই আন্দোলন চালিয়ে যাব।’’ পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক খবর, হামলাকারীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। দ্রুত তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হবে। এদিন আহতদের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রীও সেই আশ্বাস দিলেন।  

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *