উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান এবং ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’র মতো দেশবিরোধী স্লোগান আর মোটেও বরদাস্ত করা হবে না। গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষে যাদবপুর (Jadavpur) এইট বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বুধবার গোলপার্ক থেকে এইট বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এক সুবৃহৎ ও বর্ণাঢ্য মিছিলের নেতৃত্ব দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি এবং সাধু-সন্তদের কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে গোটা যাদবপুর চত্বর এক লহমায় গেরুয়াময় হয়ে ওঠে। সেই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর পাশেই পা মেলাতে দেখা যায় রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়, যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় এবং পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকে।
যাদবপুরের জমায়েত থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, ঋষি অরবিন্দের এই পবিত্র ভূমি তথা সেন্টার অফ এক্সিলেন্স যাদবপুরে দেশবিরোধী শক্তি এবং গেরুয়াকে যারা অপমান করেছে, তাদের শিকড় সহ উপড়ে ফেলা হবে। অতীতে ২০১১ সালে কমিউনিস্টদের অপসারণ এবং ২০২৬-এ মোদিজির নেতৃত্বে ‘জামাতি সরকার’কে সরানোর নিজেদের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্য ও সাধক প্রণবানন্দের এই মাটিতে শেষ পর্যন্ত গেরুয়ার জয়ই সুনিশ্চিত হবে।
আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকেই বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন বসছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উচ্চশিক্ষার নীতিতে বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পাশাপাশি, গেরুয়া নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য বা লেখার আগে সকলকে পাঁচবার ভেবে দেখার চরম সতর্কবার্তাও দেন তিনি। শীঘ্রই সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের ডাকে তিনি আবার যাদবপুরে ফিরে এসে হনুমান চালিশা পাঠ ও গীতা পাঠের আসর বসাবেন বলেও এদিন জানান। এদিনের এই তাৎপর্যপূর্ণ সমাবেশে কার্তিক মহারাজ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি যথাক্রমে তমোঘ্ন ঘোষ ও অনুপম ভট্টাচার্য, দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী সহ একাধিক হেভিওয়েট নেতৃত্ব।

