CJP Sansad March | রাজধানীতে ধুন্ধুমার, ১৬৩ ধারা ভেঙেই সংসদ অভিযান সিজেপি-র! লাঠিচার্জ পুলিশের

CJP Sansad March | রাজধানীতে ধুন্ধুমার, ১৬৩ ধারা ভেঙেই সংসদ অভিযান সিজেপি-র! লাঠিচার্জ পুলিশের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথমদিনই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দেশের রাজধানী দিল্লি (Delhi)! পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার পুলিশি নিষেধাজ্ঞা ও ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করেই ‘চলো সংসদ’ অভিযানে নামে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP Sansad March)। মিছিল আটকাতে গেলে ব্যারিকেডের সামনেই চরম উত্তেজনা ছড়ায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সিজেপি সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে দিল্লি পুলিশ। রণং দেহি মেজাজে আন্দোলনকারীরাও ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি দিল্লির পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন—রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। গতকালই দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (DCP) শচীন শর্মা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এই মিছিলের কোনো অনুমতি নেই। যন্তর মন্তর ছাড়া সর্বত্র ৫ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা সত্ত্বেও হাজার হাজার আন্দোলনকারী এদিন রাস্তায় নেমে পড়েন।

‘নিট’ (NEET)-এ চরম দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতেই মূলত এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর একটি মন্তব্যের সূত্র ধরে অভিজিৎ দিপকে এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠন করেন। শুরুতে এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক ডিজিটাল মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও, মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে সমাজমাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমর্থন পেয়ে এটি এক বিশাল গণআন্দোলনে রূপ নেয়। বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে খেলোয়াড় ও বুদ্ধিজীবীদের বড় অংশ এই দলের পাশে দাঁড়ায়।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপকে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতেই জুনে ভারতে ফিরে আসেন। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন প্রখ্যাত সমাজকর্মী ৫৯ বছর বয়সী সোনম ওয়াংচুক। গত ২৮ জুন থেকে তিনি যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেন। তবে ২১ দিনের মাথায়, গত শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা বলে পুলিশ তাঁকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই ওয়াংচুক সোমবারের সংসদ অভিযান সফল করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে আজ রাজপথে নামতেই পুলিশের লাঠির মুখে পড়তে হলো আন্দোলনকারীদের। বর্তমানে দিল্লির পরিস্থিতি অত্যন্ত থমথমে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *