Chopra | চোপড়ার ‘ত্রাস’ এখন পুলিশের খাঁচায়! দাসপাড়ার রাস্তায় জিয়ারুলের ‘প্যারেড’

Chopra | চোপড়ার ‘ত্রাস’ এখন পুলিশের খাঁচায়! দাসপাড়ার রাস্তায় জিয়ারুলের ‘প্যারেড’

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


চোপড়া: দীর্ঘদিনের দাপট আর রাজনৈতিক প্রভাবের অবসান জিয়ারুল হকের? চোপড়ার (Chopra) এই তৃণমূল (TMC) নেতার বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগের তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সোমবার কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দাসপাড়া বাজার এলাকায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা জিয়ারুল হককে নিয়ে রিক্রিয়েশন বা ‘প্যারেড’ করাল পুলিশ। ২০১৮ সালের একটি খুনের মামলায় গত ২৯ জুন ইসলামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণের পর থেকেই তিনি পুলিশের হেপাজতে রয়েছেন। এরপর নতুন করে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের জাল আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার পর থেকেই চোপড়া এলাকায় জিয়ারুল হকের নাম উঠে আসছিল নানা কুকীর্তির সঙ্গে। গত ৩০ জুন দাসপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিজেপি নেতা গোপাল হাজরা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থেই বর্তমানে পুলিশি হেপাজতে রয়েছেন অভিযুক্ত। সূত্রের খবর, গত শনিবার অন্য একটি মামলায় ইসলামপুর আদালত জিয়ারুলকে আরও ৩ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেয়।

বিজেপি (BJP) নেতা গোপাল হাজরার অভিযোগের তালিকাটি বেশ দীর্ঘ এবং যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, তাঁর চা-বাগান থেকে জোর করে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার কাঁচা চা-পাতা তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বাগানে প্রবেশের জন্য আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযোগ, ঘটনার এক মাস পর তাঁকে অপহরণ করে আরও ৩ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়। এছাড়াও, একটি জমি-বিবাদের সালিশির নামে ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে বিরোধী পক্ষকে জমি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

এই প্যারেড এবং তদন্ত প্রক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলেছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, এতদিন যে জিয়ারুলের ভয়ে চোপড়ার দাসপাড়া চত্বরে কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না, আজ তাঁর এই অবস্থা প্রশাসনিক সদিচ্ছারই প্রতিফলন। এবিষয়ে তৃণমূল নেতা প্রীতরঞ্জন ঘোষ প্রসঙ্গক্রমে বলেন, জিয়ারুল হক আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে পুলিশি হেপাজতে রয়েছেন। গোটাটাই আইনি প্রক্রিয়া। এর বাইরে আর কিছু বলব না। জানা গিয়েছে, এদিন জিয়ারুলকে দাসপাড়া বাজার এলাকায় নিয়ে এলে তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া ও ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *