Changrabandha | বালি উত্তোলনের বাড়বাড়ন্ত! নদী ভাঙনের জেরে অস্তিত্ব সঙ্কটে কোচবিহারের বৃহত্তম চা বাগান  

Changrabandha | বালি উত্তোলনের বাড়বাড়ন্ত! নদী ভাঙনের জেরে অস্তিত্ব সঙ্কটে কোচবিহারের বৃহত্তম চা বাগান  

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


চ্যাংরাবান্ধা: ক্রমাগত নদী ভাঙন ও অবৈজ্ঞানিক বালি উত্তোলনের ফলে ধরলা নদী গতিপথ পরিবর্তন করছে। আর এর জেরেই চ্যাংরাবান্ধা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অবস্থিত কোচবিহার জেলার সবচেয়ে বড় চা বাগান মৈনাক্ত হিলস-এর অস্তিত্ব ক্রমশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। এই বিষয়ে বারংবার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলেই জানিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ।

এই আবহেই রবিবার বাগান বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন ইন্ডিয়ান টি প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ডুয়ার্স শাখার সম্পাদক তথা বিশিষ্ট চা গবেষক রাম অবতার শর্মা। সেই সঙ্গে বাগান ও ধরলা নদীর ভাঙনও পরিদর্শন করেন তিনি।

সাংবাদিক বৈঠকে ধরলা নদী থেকে অবৈধ বালি খননে বাগানের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দেন মৈনাকটি হিলস-এর জেনারেল ম্যানেজার জ্ঞান প্রকাশ দীক্ষিত। তিনি বলেন,”ধরলা নদীর ভাঙনে এবং নদী থেকে অবৈধ বালি তোলার কারণে ইতিমধ্যেই আমাদের বাগানের ৩৩ একর জমির নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। আগে ধরলা নদী আমাদের চা ফ্যাক্টরি থেকে ৭০০ মিটার দূরত্বে ছিল। বর্তমানে তা ৫০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছে।বাগানের আরো কুড়ি একর জমিও খুবই সংকটজনক অবস্থায় আছে। এরকম ভাঙন বাড়তে থাকলে বাগান ও ফ্যাক্টরি অস্তিত্ব সত্যি বিপন্ন। কোচবিহারের এডিএম এবং ডিএলআর-এর সঙ্গে দিন দুই আগেই আমাদের বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে বাগানে ৮১৮ জন স্থায়ী শ্রমিক এবং প্রায় ৫০০ জন অস্থায়ী শ্রমিক রয়েছেন। ৭৫০ এলাকা নিয়ে আগে চা বাগান ছিল, যার মধ্যে থেকে ইতিমধ্যেই ৩৩ একর চলে গিয়েছে। প্রশাসনের সমস্ত স্তরে আমরা দাবি জানিয়েছি।’

নদী ভাঙ্গনে চা বাগানের ভয়ংকর অবস্থা পরিদর্শন শেষে চা গবেষক রাম অবতার শর্মা বলেন,”কোচবিহার জেলা সবচেয়ে বড় চা বাগান মৈনাক টি হিলস চাবাগান। ধরলার ভাঙনে আজ যার অস্তিত্ব বিপন্ন। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণ হল অবৈজ্ঞানিকভাবে বালি উত্তোলন। এই বাগানের উপর নির্ভর করে এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অনেকটাই। ২০১৬ সাল থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে। যে হিসেবে ভাঙন বাড়ছে অবিলম্বে যদি এটার জন্য পদক্ষেপ না করা যায়,বাগানের অস্তিত্ব থাকবে না। প্রচুর শ্রমিক পরিবার পথে বসবে। চা বাগানের নিয়ম অনুযায়ী ১ একরে একজন স্থায়ী শ্রমিক কাজ করেন। সেই হিসেবে দেখতে গেলে, এই বাগানে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু শ্রমিক বাড়তি হয়ে গিয়েছে।সরকার এখন এই বাগানের জন্য কী পদক্ষেপ করে সেটাই দেখার।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *