চ্যাংরাবান্ধা: চ্যাংরাবান্ধা ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান বদল ঘিরে উত্তেজনা। বহস্পতিবার এনিয়ে পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে ওঠে চ্যাংরাবান্ধা (Changrabandha) ট্রাক অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে।
বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিটির সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অমরজিৎ রায়কে অপসারণ করে দু’জনকে যুগ্ম চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। তাঁরা হলেন মজিদ ইসলাম ও চিত্তগোপাল মণ্ডল। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানিয়েছিলেন, আগের চেয়ারম্যান অমরজিৎ রায় ভোট করাতে ব্যর্থ হয়েছেন। একতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নতুন চেয়ারম্যানদের নেতৃত্ব ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়।
এদিকে এদিন চ্যাংরাবান্ধা ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে অমরজিৎ রায় ও তাঁর দলবল এবং চিত্তগোপাল মণ্ডল-মজিদ ইসলামের গোষ্ঠী উপস্থিত হয়। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। যা ক্রমেই কার্যত হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেখলিগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী (Mekhliganj Police)। তারা দুই গোষ্ঠীকে থামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পুলিশি প্রহরা রয়েছে এলাকায়।
নির্বাচনি প্রার্থী কালা ঘোষ বলেন, ‘আমরা জানি ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান অমরজিৎ রায়। গতকাল কয়েকজন মিলে চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন পদ বন্টন করে নেয়। এটা আমরা মানব না।’ অমরজিৎ রায় বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান। গতকাল যাঁরা চেয়ারম্যান পদ ঘোষণা করেছেন তা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি এ বিষয়ে থানায় জানিয়েছি এবং কোর্টে মামলা করব।’
এদিকে মজিদ ইসলামের বক্তব্য, ‘এতদিন থেকে নতুন নির্বাচন কমিটির মাথায় বসেও চেয়ারম্যান হয়ে ভোট করাতে পারেননি অমরজিৎ রায়। তাই তাঁকে সরানো হয়েছে। আর এদিন অফিসে এসে হিসেব চেয়ে ও নিজে পদ আঁকড়ে থাকতে চেয়ে আমাদের মধ্যে কোন্দল তৈরি করে গোলমাল বাধাতে চাইছেন তিনি। এটা হবে না। ওরা মামলা করলে আমরাও ওদের কোর্টে দেখে নেব।’ মেখলিগঞ্জের এসডিপিও আশিস পি সুব্বা বলেন, ‘আমাদের ফোর্স এলাকায় আছে। সব শান্তিপূর্ণ রাখতে টহলদারি চলছে। এখনো কারও নামে অভিযোগ হয়নি। হলে পদক্ষেপ করা হবে।’
