BSF | চ্যাংরাবান্ধায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল বিএসএফ: কাঁটাতারের ওপারে আটকে ১০ বাংলাদেশি

BSF | চ্যাংরাবান্ধায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল বিএসএফ: কাঁটাতারের ওপারে আটকে ১০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তের ১৩৪ নম্বর পানিশালা সংলগ্ন মহানদী বিওপি (BOP) এলাকায় শুক্রবার সকালে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা রুখে দিল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)। বিএসএফ-এর সতর্কতায় বিশাল বড় এক বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেল সীমান্ত এলাকা, যদিও এখনও শূন্যরেখায় আটকে রয়েছে অনুপ্রবেশকারীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কৃষকরা যখন চাষের কাজে সীমান্তের ওপারে যাওয়ার জন্য কাঁটাতারের গেট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁদের নজরে আসে ওই সন্দেহজনক গতিবিধি। সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বসে থাকতে দেখা যায়। যার মধ্যে ৫ জন মহিলা, ৩ জন শিশু এবং ২ জন পুরুষ রয়েছেন। অভিযোগ, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BGB)-এর প্রত্যক্ষ মদতেই ওই নাগরিকরা ভারতের দিকে এগিয়ে আসছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বিএসএফ-এর ৯৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের অবহিত করেন। খবর পাওয়া মাত্রই আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। জওয়ানদের কড়া নজরদারিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে ওই নাগরিকরা চ্যাংরাবান্ধার ১৩৪ পানিশালা ও বাংলাদেশের ৬৫ বাড়ি সীমান্তের শূন্যরেখাতেই অবস্থান করছেন। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, ওই ব্যক্তিদের কাছে বাংলাদেশের পরিচয়পত্র ও বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও বিজিবি তাঁদের ফিরিয়ে নিতে অনিচ্ছুক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এলাকাটি পরিদর্শন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বলেন, “এলাকাবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সীমান্তে আমাদের জওয়ানরা অত্যন্ত সতর্ক রয়েছেন এবং পরিস্থিতি বিএসএফ-এর কড়া নজরদারিতে রয়েছে। বাংলাদেশিরা কোনোভাবেই ভারতের মাটিতে পা রাখতে পারবে না।” একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “বাংলাদেশ নিজেদের নাগরিকদের গ্রহণ করতে অস্বীকার করছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও লজ্জার।”

সীমান্তের এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি কেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে না, তা নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *