উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: প্রতিদিন নিয়ম মেনে দাঁত মাজার পরেও কি মাড়িতে ব্যথা, দাঁতে শিরশিরানির সমস্যায় ভুগছেন? উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার দাঁত মাজার পদ্ধতিতেই গলদ রয়েছে (Brushing Tooth Errors)।
দন্ত্যচিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বড় ভুলটি হয় ব্রাশ করার ঠিক পরপরই। অনেকেই দাঁত মাজার পর সঙ্গে সঙ্গে জল দিয়ে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলেন। চিকিৎসকের দাবি, ব্রাশ করার পর শুধু মুখের অতিরিক্ত ফেনাটুকু ফেলে দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা উচিত। সঙ্গে সঙ্গে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে টুথপেস্টে থাকা উপকারী উপাদান ‘ফ্লুয়োরাইড’ বা ‘ন্যানো-হাইড্রক্সিঅ্যাপাটাইট’ দাঁত থেকে ধুয়ে যায়, ফলে দাঁত তার প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পায় না।
এর পাশাপাশি আরও তিনটি সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি:
শক্ত ব্রাশের ব্যবহার: শক্ত ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ দাঁতের বাইরের সুরক্ষাস্তর ‘এনামেল’ নষ্ট করে দেয়। তাই সবসময় নরম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত এবং প্রতি ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ অন্তর ব্রাশ বদলে ফেলা দরকার।
নিয়মিত চেকআপ না করানো: অনেকেই ভাবেন দাঁতে সমস্যা না হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু পেশাদারের দিয়ে নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করালে তা কেবল দাঁতেরই ক্ষতি করে না, বরং হার্ট, মস্তিষ্ক এবং ব্লাড সুগারের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
করাতের মতো ব্রাশ করা: দাঁতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে করাত চালানোর মতো করে ব্রাশ করা ভুল পদ্ধতি। ব্রাশ সবসময় মাড়ি ও দাঁতের সংযোগস্থলে রেখে বৃত্তাকারে বা গোল গোল করে ঘোরানো উচিত।

