Brazil Legend Pele’s 1958 World Cup remaining shirt bought at whopping sum

Brazil Legend Pele’s 1958 World Cup remaining shirt bought at whopping sum

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সালটা ১৯৫৮। বিশ্বফুটবলের মঞ্চে এক নতুন ধ্রুবতারার উদয়। মাত্র ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর নিজের পায়ের জাদুতে গোটা ফুটবলবিশ্বকে মোহিত করে দিয়েছিল। সেই বিস্ময় কিশোরের নাম ছিল পেলে। আজও যাকে ধরা হয় বিশ্বের সর্বকালের সেরাদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে। ৫৮’র বিশ্বকাপে ১৭ বছরের পেলে যা করে গিয়েছিলেন সেটা ইতিহাসের পাতায়। আজ প্রায় ৭ দশক পরে এসেও সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে চায় ফুটবল বিশ্ব। সেকারণেই হয়তো পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সিটি এতদিন বাদে নিলামে ওঠার পরও বিরাট দামে বিক্রি হল।

১৯৫৮ বিশ্বকাপে পেলে মাত্র ৪ ম্যাচে ৬টি গোল করেছিলেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েলসের বিরুদ্ধে ১টি, সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক এবং ফাইনালে আয়োজক সুইডেনের বিরুদ্ধে অনবদ্য দুটি গোল করেন ১৭ বছরের কিশোর। বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সি হিসাবে গোল করার সেই নজির আজও রয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সেই ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স পেলে যে জার্সি পরে করেছিলেন, সেটি নিলামে ওঠায় ক্রেতারদের মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। সম্ভবত বিশ্বকাপের আবহের জন্যই জার্সিটি রেকর্ড দাম পেল।

আরও পড়ুন:

শেষ পর্যন্ত জার্সিটি বিক্রি হয়েছে ৪.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। যা কিনা ভারতীয় মুদ্রায় কমবেশি ৪৮ কোটি টাকার সমান। পাঁচজন অংশগ্রহণকারী মোট ১০ বার দর হাঁকানোর পর শেষ পর্যন্ত এই দামে বিক্রি হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির জার্সিটি। এটিই পেলের ফুটবল স্মারকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া স্মারক। মজার কথা হল, এই একই বিশ্বকাপে পেলের পরা একটি জার্সি ২০০৪ সালে একবার নিলাম করা হয়েছিল। সেটি বিক্রি হয় ১ কোটি টাকার কিছু বেশি দামে।

বিবিসির হিসাব অনুযায়ী, পেলের এই ঐতিহাসিক জার্সিটি যে দাম এবার পেলে ফুটবল ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া জার্সি রয়েছে মাত্র একটি। সেটি হল ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের জার্সিটি। ২০২২ সালে এক নিলামে সেটি ৯.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় বর্তমান হিসাবে প্রায় ৯০ কোটি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *