রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে অমিত শাহের শাহের জোড়া কর্মিসভা। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ বঙ্গ বিজেপিকে বিঁধল তৃণমূল। বারাকপুরের আনন্দপুরীর মাঠে এদিন অমিত শাহের কর্মিসভা। সেই মাঠে কীভাবে শাহি সভা হতে পারে? সেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বিজেপি সরস্বতী পুজো করতে দেয় না। এই অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বারাকপুরের আনন্দপুরীর মাঠে সরস্বতী পুজো করার অনুমতি দেওয়া হয় না। তাহলে কীভাবে সেখানে অমিত শাহের সভা করা যায়? সেই প্রশ্ন তুলে খোঁচা পার্থ ভৌমিকের।
আরও পড়ুন:
গতকাল, শুক্রবারই বঙ্গসফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বারাকপুরে প্রথমে কর্মিসভা তাঁর। এরপর শাহ উড়ে যাবেন উত্তরবঙ্গ। শিলিগুড়িতে সেই কর্মিসভা হবে। এদিন বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বারাকপুরের মঞ্চে অমিত শাহ মঞ্চে ওঠে। আনন্দপুরীর মাঠের সভা নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, ওই মাঠে সরস্বতী পুজোর অনুমতি মেলে না। বাচ্চাদের খেলতে দেওয়া হয় না। যেখানে পুজোর অনুমতি নেই, বাচ্চাদের খেলার অনুমতি নেই? সেখানে কীভাবে অমিত শাহের সভা হতে পারে?
রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন বিশৃঙ্খলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রতিদিন এসআইআর আতঙ্কে একাধিক মানুষ মারা যাচ্ছেন। এখনও এসআইআর আতঙ্কে একশোর উপর মানুষ মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। এই এত মৃত্যুর দায় কে নেবে? ফের বিজেপিকে নিশানা করে প্রশ্ন তৃণমূলের। পশ্চিমবঙ্গে এতগুলো মানুষ এসআইআর আতঙ্কে মারা গেলেন! ওইসব পরিবারগুলোর আগামী দিনে কী হবে? সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজেপি বরাবর বাংলার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগ করেন। এদিকে অসম, ত্রিপুরায় প্রচুর সংখ্যায় বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ চলে বলে অভিযোগ। তাহলে কেন ওই দুই রাজ্যে এসআইআর হবে না? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
