BJP launches ‘Matrishakti’ programme in Purulia to cease youngster marriage, dowry

BJP launches ‘Matrishakti’ programme in Purulia to cease youngster marriage, dowry

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ভোট শেষ মানেই ভোটাররা নিজেদের কাজের জন্য জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আসা-যাওয়া করবেন। ধরনা দেবেন কাজ পূরণে। অতীতের বঙ্গ রাজনীতির ওই রেওয়াজ থেকে সরে আসছে পুরুলিয়া জেলা বিজেপি। তাই বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি শংকর মাহাতোর তত্ত্বাবধানে ‘মাতৃশক্তি’ নামে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জঙ্গলমহলের এই জেলায়। অর্থাৎ দলের নেতা-কর্মীরা সরাসরি মহিলাদের সঙ্গে বৈঠক করে জানতে চাইছেন, তাঁদের সমস্যা কোথায়? কী অসুবিধা রয়েছে? আর তা জেনেই এলাকাভিত্তিক সব সমস্যার সমাধান করতে চায় বিজেপি। শুধু পরিষেবামূলক বিষয় নয়। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানও লক্ষ্য। যেমন বাল্যবিবাহ, পণপ্রথা প্রতিরোধ, নেশা মুক্ত গ্রাম তৈরি ইত্যাদি।

মহিলাদেরকে সামনে রেখেই কেন এই কর্মসূচি? বিজেপির জেলা সভাপতি শংকর মাহাতো জানান, “একজন মহিলা সংসারের সব সমস্যা জানেন। এবং মহিলারাই সবকিছুর বদল আনতে পারেন। তবে শুধু সংসার নয়। মহিলারা সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এলাকা, বুথ, গ্রামের চেহারা বদলে দিতে পারেন। আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে বিকশিত ভারত। তাই আমরা একেবারে নিচু স্তর থেকে বিকশিত ভারত গড়ার পথে কাজ শুরু করেছি। যেখানে অন্যতম বড় সহায়ক মহিলারা। তাই পুরুলিয়া জেলা বিজেপির কর্মসূচি ‘মাতৃশক্তি’।”

আরও পড়ুন:

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সমস্ত বুথে অর্থাৎ ২৮০২ ভোট গ্রহণ কেন্দ্র এলাকায় এই কর্মসূচি করবে। এই কর্মসূচির মধ্য দিয়েই মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক-সহ দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। পুরুলিয়া জেলা বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভার নির্বাচনের নিরিখে যে সকল বুথ এলাকা দুর্বল সেখান থেকেই এই ‘মাতৃশক্তি’ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। ১ নম্বর ব্লকের একাধিক বুথে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দল। অধিকাংশ ‘মাতৃশক্তি’-র বৈঠকে জেলা সভাপতি শংকর মাহাতো নিজে থাকতে চান। এই কর্মসূচিটি তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত, যা দলীয় স্তরে দারুণভাবে রূপায়িত হয়ে সুফল পাচ্ছে পুরুলিয়া জেলা বিজেপি।

এই ‘মাতৃশক্তি’-র বৈঠকে কী কী বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে? এক, প্রথমেই বলা হচ্ছে মহিলারা একত্রিত হন। কোনভাবেই একে অপরকে হিংসা করবেন না। হিংসা, বিদ্বেষ বর্জন করে এক সূত্রে বেঁধে একটি কমিটি তৈরি করুন। দুই, এলাকায় যে সকল সামাজিক সমস্যা রয়েছে অর্থাৎ বাল্যবিবাহ, পণপ্রথা, নেশা ইত্যাদি বন্ধ করতেই হবে। তিন, যোগ, প্রাণায়াম, ধ্যানকে সামনে রেখে আধ্যাত্মিক চর্চা বাড়াতে হবে। চার, কেউ কোন বিপদে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়াবে ওই কমিটি। কারও বাড়িতে বিয়ে বা অন্য অনুষ্ঠানের জন্য আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হলে ওই কমিটি নিজেদের মধ্যে অর্থ সংগ্রহ করে সাহায্য করবে। পাঁচ, কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পকে সফলভাবে রূপায়িত করতে হবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *