Biplab Mitra TMC | বিপ্লব মিত্রকে রাজ্য সভাপতি করল ‘ঋতব্রত তৃণমূল’, শাখা সংগঠনের শীর্ষ পদাধিকারিদেরও নাম ঘোষণা

Biplab Mitra TMC | বিপ্লব মিত্রকে রাজ্য সভাপতি করল ‘ঋতব্রত তৃণমূল’, শাখা সংগঠনের শীর্ষ পদাধিকারিদেরও নাম ঘোষণা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ক্ষমতা দখলের লড়াই (TMC Inner Conflict) এবার চরম শিখরে। দলের রাশ নিজের হাতে রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি নিজেকে সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সনের পাশাপাশি রাজ্য সভাপতি হিসেবেও ঘোষণা করেছিলেন। নেত্রীর সেই ‘একচ্ছত্র আধিপত্যে’র পাল্টা দিতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নামল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূল শিবির। শুক্রবার তপসিয়ার এক বিলাসবহুল হোটেলে ম্যারাথন বৈঠকের পর মমতার সমান্তরাল এক নতুন রাজ্য ও জাতীয় কমিটির তালিকা প্রকাশ করে সরাসরি যুদ্ধং দেহী বার্তা দিল তারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ঋতব্রতপন্থী শিবিরের নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে প্রবীণ রাজনীতিক দক্ষিণ দিনাজপুরের বিপ্লব মিত্রকে (Biplab Mitra TMC)। তাঁর ডেপুটি অর্থাৎ কার্যকরী রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে জাভেদ খানকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই হেভিওয়েটকে সামনে রেখে আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একনায়কতন্ত্রকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ল বিদ্রোহী শিবির।

শুধু রাজ্য কমিটিই নয়, সর্বভারতীয় স্তরে রণকৌশল সাজাতে এবং দলের শাখা সংগঠনগুলির রাশ ধরতেও একঝাঁক নতুন মুখ এনেছে ঋতব্রত শিবির। কালীঘাট ত্যাগের পর দলের জাতীয় কর্মসমিতিতে নতুন নীতি নির্ধারক হিসেবে আনা হয়েছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের নতুন সভানেত্রী হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন এবং কার্যকরী সভানেত্রী শিউলি সাহা। শিক্ষাঙ্গনে আধিপত্য বাড়াতে তৃণমূল ছাত্রপরিষদের চেয়ারম্যান করা হয়েছে কোহিনুর মজুমদারকে এবং সভাপতি হয়েছেন সুদীপ রাহা। অন্যদিকে, যুব সমাজের মন জয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের শীর্ষ ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে আনিসুর রহমান বিদেশের হাতে, যার কার্যকরী সভাপতি সৌরভ বসু। শ্রমিক, কৃষক এবং সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক যাতে কোনোভাবেই হাতছাড়া না হয়, তার জন্য প্রতিটি সেলেই চমক দিয়েছে এই নতুন কমিটি। আইএনটিটিইউসির সভাপতি হয়েছেন চা বাগান আন্দোলনের নেতা নির্জল দে, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হয়েছেন বাহারুল ইসলাম, কৃষক সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন নিশীথ কুমার মালিক ও এসসি-এসটি সেলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে আশিস মার্জিতকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তপসিয়ার এই বৈঠক এবং সমান্তরাল কমিটি গঠনের পর বাংলায় এখন কার্যত ‘দুটি তৃণমূল’। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মা, অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের এই সাংগঠনিক লড়াই আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *