Bikash Bhattacharjee | ভোটারের নাম বাদ গেলে আইনি সহায়তার আশ্বাস, বিকাশের নিশানায় এসআইআর  

Bikash Bhattacharjee | ভোটারের নাম বাদ গেলে আইনি সহায়তার আশ্বাস, বিকাশের নিশানায় এসআইআর  

শিক্ষা
Spread the love


মালদা : অমিত শা আর নরেন্দ্র মোদি যদি তাঁদের বাপঠাকুরদার জন্ম সার্টিফিকেট দেখাতে পারেন, তবে ভারতের আশি ভাগ মানুষও দেখাতে পারবেন। আসলে গরিব প্রান্তিক মানুষকে ভোটের অঙ্গন থেকে বের করে দিতে চাইছেন তাঁরা। আর ভোটের ক্ষমতা কেড়ে নিতেই এসআইআর। বিহারে হয়েছে, এবার বাংলায়। শনিবার সন্ধ্যায় মালদায় সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের আয়োজিত সেমিনারে যোগ দিতে এসে এসআইআর নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি আরও বলেন, ‘এরাজ্যে কারও নাম জোর করে বাদ দিলে আমরা বামেরা আইনি সহায়তা দেব।’

শনিবার ছিল সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের তৃতীয় জেলা সম্মেলন। কালিয়াচকের নজরুল ভবনে সম্মেলনটি হয়। মালদা শহরের বিপিনবিহারী ঘোষ টাউন হলে সেমিনার হয়। দুটি অনুষ্ঠানেই হাজির ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন কৃষক নেতা বিশ্বনাথ ঘোষ, জামিল ফিরদৌস, বাম নেতা অম্বর মিত্র, সিপিএমের জেলা সম্পাদক কৌশিক মিশ্র প্রমুখ। সেমিনারে বিকাশ তাঁর বক্তব্যে নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তির্যক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অযৌক্তিক মন্তব্য নিয়ে লোক হাসাহাসি করে। আমাদের লজ্জা করে। উত্তরবঙ্গে বন্যা রুখতে পাহাড়ে ম্যানগ্রোভ লাগাবেন মুখ্যমন্ত্রী, আর নাকি শিব মন্দির করে দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলছেন, গণেশের মাথা নাকি কসমেটিক সার্জারি করে লাগানো হয়েছে। তিনি আবার বলেছেন, মা যতদিন বেঁচেছিলেন ততদিন মনে হয়েছিল মায়ের গর্ভে জন্মেছেন, মা মারা যাওয়ার পর মনে হয়েছে তঁাকে পরমাত্মা পাঠিয়েছে। বিজ্ঞানীরা হাসে। ছাত্রছাত্রীদের কাছে হাসির খোরাক ওঁরা।’ তঁার সংযোজন, ‘আমাদের চিন্তা চেতনার মধ্যে অযৌক্তিক ভাব, অলৌকিক চিন্তা ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিতে চাইছে। প্রধানমন্ত্রী এরপর বলবেন, আমি যা করেছি, বলছি সব পরমাত্মার কথা।’

এসআইআর প্রসঙ্গে বিকাশের মন্তব্য, ভারতবর্ষের সংবিধান বলছে ইলেকশন কমিশন হচ্ছে স্বাধীন নিরপেক্ষ সংস্থা যারা ভোট পরিচালনা করবে। যাতে ভারসাম্য থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নিজে থাকতে পারেন, বিরোধী দলনেতা থাকবেন এবং ভারতবর্ষের প্রধান বিচারপতি। কেন্দ্রীয় সরকার এই নিয়মকে আইন করে বাতিল করে দিল। তারা ঠিক করল, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত একজন মন্ত্রী থাকবেন আর বিরোধী দলনেতা। প্রধানমন্ত্রী আগেই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন নিয়োগ করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। তাহলে ওঁর নিয়োগ করা ব্যক্তিটি তাঁদের পুতুল তো হবেনই। এরপর বিকাশের বক্তব্য, বিহারে বিজেপির জেতার সম্ভাবনা নেই। তাই সেখানে এসআইআর করল। আর এই প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে বেছে বেছে গরিব প্রান্তিক মানুষদের ভোটের অঙ্গন থেকে দূরে সরিয়ে দিল। এবার বাংলায় করছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *