Better Noida | ‘মাকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে বাবা’, পণের দাবিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, বিস্ফোরক বয়ান ছেলের

Better Noida | ‘মাকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে বাবা’, পণের দাবিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ড, বিস্ফোরক বয়ান ছেলের

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট্ট ছেলের সামনেই স্ত্রীর গায়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারলেন স্বামী। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডাতে। ঘটনার ভয়াবহতার কথা প্রকাশ্যে এনে ছোট্ট ছেলেটি জানিয়েছে, তার বাবা ও ঠাকুমা মায়ের গায়ে কিছু একটা ঢেলে তাঁকে চড় মারে। আর এরপরই মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

সূত্রের খবর, ২০১৬ সালে গ্রেটার নয়ডার সিরসা গ্রামের বাসিন্দা বিপিন ভাটির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নিকি নামে ওই মহিলার। ওই একই পরিবারে বিয়ে হওয়া নিকির বোন কাঞ্চনের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই দম্পতির মধ্যে যৌতুক নিয়ে ঝামেলা হত। ৩৬ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়েছিল নিকির বাপের বাড়ির কাছে। আর তা দিতে না পারায় গত বৃহস্পতিবার রাতে নিকিকে প্রথমে মারধর করা হয়। এরপর জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় বলে দাবি কাঞ্চনের (Dowry homicide case)।

তাঁর কথায়, ‘যৌতুকের জন্য আমাদের উপর অত্যাচার চালাত শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। বৃহস্পতিবার আমাকেও মারধর করা হয়েছিল। বলত, আমরা মরে গেলে আবার বিয়ে করবে।’ বোনকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেও পারেননি। সেই আফসোস যেন স্পষ্ট ছিল কাঞ্চনের গলায়। তিনি বলেন, ‘আমার বোনকে যারা কষ্ট দিয়েছে, তারা যেন ঠিক সেভাবেই কষ্ট পায়।’ বোনের খুনিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কাঞ্চন।

নিকির মৃত্যুর একদিন পর ঘটনাটি নিয়ে মুখ খুলেছে তাঁর ছয় বছর বয়সি ছেলেও। সে বলে, ‘ওরা (নিকির স্বামী ও শাশুড়ি) প্রথমে মায়ের গায়ের উপর কিছু ঢেলে দেয়। তারপর লাইটার দিয়ে মায়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।’

মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের দু’টি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। যার মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নিকিকে নির্মমভাবে মারধর করা হচ্ছে। অন্য একটি ভিডিওতে, তাঁকে জ্বলন্ত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। এই ঘটনার পরই প্রতিবেশীদের সাহায্যে নিকিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে থেকে অন্য একটি হাসপাতালে রেফার করা হয় তাঁকে। কিন্তু পথেই মৃত্যু হয় নিকির। কাঞ্চনের অভিযোগের ভিত্তিতে নিকির স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *