Belacoba Homicide | জামাইয়ের হাতে খুন শ্বশুর, হাড়হিম করা ঘটনা বেলাকোবায়  

Belacoba Homicide | জামাইয়ের হাতে খুন শ্বশুর, হাড়হিম করা ঘটনা বেলাকোবায়  

শিক্ষা
Spread the love


বেলাকোবা: পারিবারিক অশান্তির কারণে স্বামীর ঘর ছেড়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে স্ত্রী থাকেন বাবার বাড়িতে। সেকারণে ষষ্ঠীতেও শ্বশুরবাড়ি থেকে নিমন্ত্রণ মেলেনি জামাইয়ের। ষষ্ঠীর পরের দিনই স্ত্রী-সন্তানকে দেখার অছিলায় জামাই হাজির শ্বশুরবাড়িতে। কিন্তু আপত্তি করে শ্বশুর। স্ত্রী-কন্যার সঙ্গে দেখা করতে না পারায় আক্রোশের বশে নৃশংসভাবে জামাই শ্বশুরকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চিল্কা পাড়া এলাকায়। মৃত শ্বশুরের নাম মৃগেন রায়(৪২)। মৃগেনের দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে। অভিযুক্ত জামাই বিপুল রায়কে গ্রেপ্তার করেছে বেলাকোবা ফাড়িঁর পুলিশ। বাবার হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ সাজার দাবি জানিয়েছেন ধৃতের স্ত্রী সৌরভী রায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে শিকারপুরের মালিভিটা এলাকার বিপুল রায়ের সঙ্গে ভালোবাসা করে বিয়ে হয় চিল্কা পাড়ার সৌরভী রায়ের সঙ্গে। বতর্মানে তাদের এক আট মাসের কন‍্যা সন্তানও রয়েছে। বিবাহের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকতো। গত প্রায় একমাস আগে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে সৌরভী কন্যা সন্তানকে নিয়ে চিল্কা পাড়ায় বাপের বাড়িতে চলে আসেন। বিপুল ভেবেছিলেন জামাই ষষ্ঠীতে ডাক পেলে বিবাদ মিটিয়ে স্ত্রী-কন্যাকে নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন। কিন্তু সেটা না হওয়ায় ষষ্ঠীর পরের দিন অর্থাৎ সোমবার রাতে বিপুল নিজেই যান শ্বশুরবাড়িতে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বাঁধায় বিপুল দেখা করতে পারেননি সৌরভী ও তাঁর সন্তানের সঙ্গে। এরপরেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বিপুল। ক্রোধ সামলাতে না পেরে শ্বশুরের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিপুল। শুরু হয় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি। আচমকাই আক্রোশের বশে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে নৃশংসভাবে শ্বশুর মৃগেন রায়কে হত্যা করেন তিনি।

এদিন দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডেকেল কলেজে পাঠিয়েছে বেলাকোবা থানার পুলিশ। শ্বশুরকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত জামাই বিপুল রায়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *