উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল বারুইপুরের ধপধপি এলাকা (Baruipur Incident)। মঙ্গলবার বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে গিয়ে দেখা করলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এদিন নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল।
এদিন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবার সরকারের ভূমিকায় সন্তুষ্ট এবং মুখ্যমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখেছে।’ তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, মহিলাদের ওপর অত্যাচার বা পুলিশি গাফিলতির ক্ষেত্রে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলবে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রবিবার সকালে পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে (Minor Woman’s Rape and Homicide)। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাস্তা ও রেল অবরোধে শামিল হন উত্তেজিত জনতা। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে কথা বলেন এবং সুবিচারের আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠন করা হয় ৬ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতরা হল আনন্দ সর্দার, প্রভাস মণ্ডল এবং দিবাকর সর্দার। এদিকে, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় এক যুবকের।
এদিকে, এই ঘটনায় সক্রিয় হয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন। স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন রাজ্যের ডিজির কাছে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। সাতদিনের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনার তথ্যও চেয়েছে কমিশন।

