Baruipur | ‘আইন হাতে তুলে নেবেন না’, বারুইপুরের ‘নারকীয়’ কাণ্ডে বার্তা সাংসদ সায়নী ঘোষের

Baruipur | ‘আইন হাতে তুলে নেবেন না’, বারুইপুরের ‘নারকীয়’ কাণ্ডে বার্তা সাংসদ সায়নী ঘোষের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ বারুইপুরের (Baruipur) নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ১১ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ ঘিরে রবিবার দিনভর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। একদিকে অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশের তল্লাশি, অন্যদিকে গণপিটুনিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যু—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে জরুরি আলোচনা করেছেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)।

ঘটনার ভয়াবহতায় শোকপ্রকাশ করে সায়নী ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বারুইপুরে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনাটির প্রেক্ষিতে আমি স্তম্ভিত এবং মর্মাহত। শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমার নেই। এই মুহূর্তে সামাজিক, মানসিক ও প্রশাসনিকভাবে নাবালিকার পরিবারের পাশে আছি।  মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আমার আলোচনা হয়েছে এবং উনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন যে রাজ্য সরকার অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং অতি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চরম শাস্তি দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। দোষীদের গ্রেফতারি এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য একটি SIT গঠন করা হয়েছে। আমি তাকে দ্রুত এবং জরুরি পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য ধন্যবাদ জানাই। স্থানীয় সাংসদ হিসেবে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগে থেকে তদন্তের কাজ যাতে সঠিক এবং দ্রুত সম্পন্ন হয়ে তার জন্য প্রতিনিয়ত সচেষ্ট আছি।”

একই সঙ্গে, গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুর তীব্র নিন্দা করেছেন সায়নী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে জনরোষের জেরে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে, তার ও তীব্র নিন্দা জানাই। এইরকম ঘটনায় উত্তেজনা স্বাভাবিক হলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারুর নেই। শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং স্থানীয় জনগণের কাছে আবেদন করছি যে প্রশাসনের প্রতি আস্থা রেখে পুলিশকে তদন্তে সাহায্য করে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রত্যেকে এগিয়ে আসুন।”

ঘটনার তদন্তে সরকার কোনো ঢিলেমি রাখতে নারাজ। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল)-এর নেতৃত্বে এই দল মাঠে নেমেছে।

রবিবার রাতে এলাকায় উত্তেজনা কিছুটা কমলেও থমথমে পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। বারুইপুরের এই নারকীয় ঘটনা যেন নতুন করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। প্রশাসন এখন জনরোষ প্রশমন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করার দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *