Bardhaman | নামও এক, কার্ডও এক! আধার বিভ্রাটে দুই ‘ঝর্ণা দাস’-এর জমানো টাকা নিয়ে ধুন্ধুমার বর্ধমানে

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


বর্ধমান: নাম ও পদবী হুবহু এক হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। কিন্তু দুই ভিন্ন ব্লকের দুজন পৃথক মহিলার আধার কার্ডের নম্বরও যে অবিকল এক হতে পারে, তা শুনে রীতিমতো হতবাক সবাই! অদ্ভুত এই আধার কার্ডের নম্বরের অমিল ও বিভ্রাটের জেরে পূর্ব বর্ধমানের (Bardhaman) দুই ঝর্ণা দাসের ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা নিয়ে তৈরি হলো চরম অনিশ্চয়তা ও বিভ্রান্তি।

ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষের বাদুলিয়া গ্রাম এবং রায়নার পলাশন দাসপাড়ায়। রায়নার বাসিন্দা ঝর্ণা দাস অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা এসেছে কিনা তা দেখতে স্থানীয় গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে যান। সেখানে আধার কার্ড দেখিয়ে ‘ডিবিটি’ লিঙ্কের মাধ্যমে ৩ দিনে মোট ২৭ হাজার টাকা তোলেন তিনি।

কিন্তু বিপত্তি ঘটে অন্য জায়গায়! ওই টাকা তোলার মেসেজ গিয়ে পৌঁছায় খণ্ডঘোষের বাসিন্দা অপর ঝর্ণা দাসের মোবাইলে। মেসেজ পেয়ে তিনি তড়িঘড়ি পশ্চিমবঙ্গ গ্রামীণ ব্যাংকের শাখায় যান এবং জানতে পারেন তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকেই এই ২৭ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

তদন্তে জানা যায়, গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের কর্ণধার শেখ জাহিরুল আধার কার্ড যাচাই করেই টাকা হস্তান্তর করেছিলেন। পরবর্তীতে খণ্ডঘোষের ঝর্ণা দাস রায়না থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ দুই মহিলাকে নিয়ে ব্যাংকে যায়। দেখা যায়, রহস্যজনকভাবে দুই মহিলার নাম, পদবীর পাশাপাশি আধার নম্বরও এক! আর সেই কারণেই এই বিশাল গোলযোগ।

পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে অবশেষে এই অদ্ভুত আধার সমস্যার সমাধান হয়। খণ্ডঘোষের ঝর্ণা দাস জানিয়েছেন, খোয়া যাওয়া ২৭ হাজার টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ফেরত জমা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন, তবে টাকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত দুশ্চিন্তা কাটছে না। আধার কর্তৃপক্ষের এমন বড়সর ভুলের মাশুল কেন সাধারণ মানুষকে গুনতে হবে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *