উত্তবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই উত্তপ্ত ওপার বাংলা। শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের যশোরে রাজনৈতিক নেতাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ যশোরের শঙ্করপুর এলাকায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হন বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশের জনৈক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আলমগীর যশোর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় তিনি মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি চালিয়ে চম্পট দেয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, আলমগীরের মাথার দুই পাশে দুটি গুলির ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে আততায়ীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
অন্যদিকে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা এলাকায় ব্যবসায়ী খোকনের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত স্থানীয়রা। অভিযোগ, গত বুধবার রাতে একদল উত্তেজিত জনতা তাঁর ওপর চড়াও হয়। প্রথমে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় এবং পরে গায়ে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছিল। শনিবার সকালে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে যশোরের ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান যশোর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম। তিনি মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এই কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান। বাংলাদেশে একের পর এক রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
