নাগরাকাটা: গত শনিবারের ভারী বৃষ্টিতে বামনডাঙ্গা চা বাগানে (Bamandanga Tea Backyard) মৃত আরও ৫ জনের পরিবারের হাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়া হল। শনিবার ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন জলপাইগুড়ির জেলা শাসক শামা পারভিন ও রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী বুলু চিকবড়াইক। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের একজন স্পেশাল হোম গার্ডের চাকরি পাবেন বলেও জানানো হয়।
গত সোমবার লুকসানের কালীখোলায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ওই বাগানের ৪ জন মৃতের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিয়েছিলেন। শনিবার জেলাশাসক ও মন্ত্রী চেক তুলে দেন যথাক্রমে কস্তু লোহার, রাধিকা লোহার, শানচারোয়া সাহু, শিল্পা মুন্ডা ও নিশা নাগাশিয়াদের পরিবারের হাতে।
এখনও পর্যন্ত বামনডাঙ্গার মডেল ভিলেজ থেকে ভেসে যাওয়ার পর ১০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। সেখানকার এক শিশু এখনও নিখোঁজ রয়েছে। লুকসানের এক মহিলার দেহ মেলে গত শুক্রবার। সব মিলিয়ে ওই এলাকায় মারাত্বক বিপর্যয়ে ভেসে গিয়ে মৃত এমন ১১ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।
এদিন জেলা শাসক বামনডাঙ্গায় ত্রাণসামগ্রী বিলি ও কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে দুর্গতদের খাবার দেওয়ার কাজটিও সরেজমিন দেখে যান। নাগরাকাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কুজুর বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত বামনডাঙ্গার জয়বাংলা লাইন, টন্ডু, মডেল ভিলেজ, বিছ লাইন, হাতি লাইন, ফ্যাক্টরি লাইন, ১৮ নম্বর লাইন ও মিশন লাইনে যথাক্রমে ৬৫, ২৬০, ২৭০, ১৫০, ১৩৫, ৬০, ৬৭ ও ১৫৬টি পরিবারকে ত্রাণ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। একজনও ক্ষতিগ্রস্তকে বাদ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’
