Balurghat Hospital | কুকুরের দৌরাত্ম্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে, পুরসভার সাহায্য চাইল কর্তৃপক্ষ

Balurghat Hospital | কুকুরের দৌরাত্ম্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে, পুরসভার সাহায্য চাইল কর্তৃপক্ষ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সুবীর মহন্ত, বালুরঘাট: হাসপাতালে ‘রাউন্ডে’ সারমেয় বাহিনী। ওয়ার্ডের বারান্দায় শুধু বিচরণ সীমাবদ্ধ থাকলে হয়তো তেমন বড় সমস্যা হত না। কিন্তু সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় পৌঁছে যাওয়া, রোগীর পরিজনদের হাত থেকে খাবারের প্যাকেট ছিনিয়ে নেওয়া, ঘটছে প্রায়দিনই। তাই সারমেয় বা কুকুরদের দৌরাত্ম্য বন্ধে রবিবার পুরসভার সঙ্গে বৈঠকে বসল বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে খবর, এমন দৌরাত্ম্য বন্ধে গেটে ক্যাটল ট্র্যাপ, ওয়ার্ডের সমস্ত দরজা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে গবাদিপশুর চলাচল রুখতেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণেন্দুবিকাশ বাগ বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে হাসপাতাল চত্বর কুকুরমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের প্রধান গেট শুধুমাত্র খোলা থাকবে। বাকি গেটগুলি বন্ধ রাখা হবে। নিরাপত্তারক্ষীরাও নজর রাখবেন। হাসপাতাল থেকে নিয়মিত আবর্জনা সংগ্রহ করবে পুরসভা।’

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সম্প্রতি এক ভবঘুরের দেহ কুকুর খুবলে খেয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় উত্তরবঙ্গজুড়ে। ওই ঘটনার পর বালুরঘাট হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে। কেননা, এখানেও অবাধ বিচরণ কুকুরের। কখনও উচ্ছিষ্ট খাবারের ভ্যাটে ভিড় করছে, কখনও আবার রোগীর বাড়ির লোকজনের হাতে খাবারের প্যাকেট দেখলে, তাড়া করছে। কুকুরের কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে অনেকেই খাবারের প্যাকেট ছুড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। দিন-দিন পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে ওঠায় রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। উত্তরবঙ্গ মেডিকেলের মতো ঘটনা ঘটলে কি টনক নড়বে, এই প্রশ্ন উঠছিল। যে কারণে রবিবার পুরসভার সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বৈঠক।

হাসপাতালে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে উচ্ছিষ্ট খাবার ফেলে রাখার বিষয়টি যে সমস্যা বাড়াচ্ছে, তা এদিনের বৈঠকে স্বীকার করে নিয়েছেন অনেকেই। যে কারণে ওই খাবার ও আবর্জনা যাতে দ্রুত হাসপাতাল চত্বর থেকে তুলে নিয়ে যায় পুরসভা, সেই অনুরোধ করা হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র হাসপাতাল নয়, শহরে রাস্তাতেও কুকুরের অবাধ বিচরণ রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল চত্বরে কুকুরের প্রবেশ বন্ধে আমাদের সাহায্য চেয়েছে, আমরা সেই সাহায্য করব। আবার শহরের পথকুকুরদের নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা এবং নির্বীজকরণ নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। শহরের ভাগাড়ের কাছে কুকুরদের আশ্রয়স্থল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওখানে পথকুকুরদের চিকিৎসারও ব্যবস্থা থাকবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *