গৌরহরি দাস, কোচবিহার: কোচবিহারের (Cooch Behar) ঘুঘুমারির আল আমিন মিশন (Al Amin Mission) থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ দুই ছাত্রকে (Lacking College students) ফিরিয়ে আনতে বিমানে মুম্বই গেল এক সাব-ইনস্পেকটরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের পুলিশি দল। ওই দলের সঙ্গে রয়েছেন মিশনের প্রধান শিক্ষক ও এক নিখোঁজ ছাত্রের পরিবারের পরিচিত একজন। তবে পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হওয়ায়, আদালত বন্ধের কারণে এদিন ছেলে দুটিকে হেপাজতে নিতে পারেনি পুলিশ। অপেক্ষা করতে হবে সোমবার পর্যন্ত।
কোচবিহার কোতোয়ালি থানা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই দুই ছাত্র উদ্ধার হয় মুম্বইয়ের কিছুটা আগে মানসার থেকে। দুই ছাত্র ছিল লোকমান্য তিলক এক্সপ্রেসের এস-২ সংরক্ষিত কামরায়। তাদের দেখে ওই কামরায় থাকা অন্য যাত্রীদের সন্দেহ হয়। যাত্রীদের দুই-চারজন তাদের সঙ্গে গল্প করেন। তাঁদের মধ্যে একজন এক ছাত্রের থেকে তার বাবার ফোন নম্বর জেনে নেন। এরপর ওই যাত্রী ছাত্রটির বাবাকে ফোন করেন। ছাত্রটির বাবার থেকে ফোন নম্বর পেয়ে পুলিশ ওই যাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ওই দুই ছাত্র যাতে ট্রেন থেকে না নেমে যায়, তা নজরে রাখার জন্য অনুরোধ করে। পাশাপাশি, কোতোয়ালি থানার পুলিশ রেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘রেলের মুম্বই কন্ট্রোল রুমে ছাত্র দুটির ছবি পাঠাই। ওরা আবার আমাদের ছবি পাঠায়। এরপর পরস্পর যোগাযোগের মাধ্যমে বাচ্চা দুটিকে মুম্বইয়ের আগে মানসার থেকে রেল পুলিশ উদ্ধার করে।’
মুম্বই যাওয়া এক ছাত্রের পারিবারিক বন্ধ বলেন, শনি ও রবিবার কোর্ট বন্ধ। ফলে সোমবারের আগে বাচ্চাকে পাওয়া যাবে না। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের উপায় নেই। নিখোঁজ দুই ছাত্রের মধ্যে একজনের পরিবারের তরফে কেউ যেতে পারেননি বিমানের টিকিট না মেলায়। ওই পরিবারের পরিচিত একজন বলেন, বাচ্চার আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, জন্মের সার্টিফিকেট এবং আমাদের অথরাইজেশন লেটার কোচবিহারের পুলিশের কাছে দিতে বলা হয়েছিল। আমরা সমস্তকিছু পুলিশকে দিয়েছি।
