Awas Yojana | যোগ্য হয়েও আবাসের ঘর পায়নি দিনমজুর পরিবার, তদন্তের আশ্বাস মহকুমা শাসকের   

Awas Yojana | যোগ্য হয়েও আবাসের ঘর পায়নি দিনমজুর পরিবার, তদন্তের আশ্বাস মহকুমা শাসকের   

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


সামসী: কাঁচা বাড়ি রয়েছে। PWL (PERMANENT WAITING LIST) তালিকায় নামও ছিল। কিন্তু বাংলার বাড়ি প্রকল্পের চুড়ান্ত  তালিকায় নাম নেই। অথচ কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী তার ঘনিষ্ঠদের নাম তুলেছেন, যাদের পাকাবাড়ি আছে। সেই ঘনিষ্ঠদের ছবি তুলেছেন বঞ্চিত উপভোক্তার কাঁচা বাড়ির সামনে দাঁড় করিয়ে। কিন্তু কাঁচা বাড়িওয়ালার নাম নেই। গোটা ঘটনা নিয়ে চাঁচল-১ বিডিও অফিসে অভিযোগ জানানো হলেও তদন্ত হচ্ছে না বলে অভিযোগ। চাঁচল-১ ব্লকের মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি গ্রামের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

চাঁচল-১ ব্লকের মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি গ্রামে পেশায় দিনমজুর আজাদ হোসেন স্ত্রী আমেলা বিবিকে নিয়ে বসবাস করেন একটি কাঁচা বাড়িতে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে PWL তালিকায় নাম ও আইডি নং ছিল বলে দাবি করেন আজাদ। কিন্তু গতমাসে সুপার চেকিং হয়। কিন্তু ফাইনাল তালিকায় তার বাংলার বাড়ি প্রকল্পে নাম উঠেনি। বঞ্চিত আজাদ হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, “আমার বাড়ির দেওয়াল কাঁচা মাটির। উপরের ছাউনিতে টালি রয়েছে। শুধু বারান্দায় দুটো পাকা ইটের খুঁটি আছে। আমি যোগ্য হয়েও বঞ্চিত হলাম”। বিষয়টি ব্লকে অভিযোগ জানিয়েও তদন্ত হয়নি বলে দাবি করেন আজাদ।

আজাদ হোসেন অভিযোগ, এলাকায় সুপার চেকিংয়ে যান সরকারি কর্মীরা। সেই সময় আজাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ছিলেন না। গ্রামের কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য হাবিবা খাতুনের স্বামী মুক্তার আলি প্রতিবেশী দুই উপভোক্তাকে নিয়ে গিয়ে আজাদের বাড়ির সামনে ও পিছনে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলায়। মুক্তারের এমন অবৈধ কাজের জন্যই তার নাম ওঠেনি বলে অভিযোগ। আজাদ জানান, তার বাড়ির সামনে যাদের ছবি তোলা হয় সেই দুই উপভোক্তার ফাইনাল তালিকায় নাম উঠেছে। তাদের পাকাবাড়িও আছে বলে অভিযোগ। আর হতভাগা আজাদ। তার নাম তালিকা থেকে বাদ।কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি। বিডিওর কাছে নালিশ করেও কোন লাভ হয়নি।

পঞ্চায়েত সদস্য হাবিবা খাতুনের স্বামী মুক্তার আলি যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন। মুক্তার জানায়, ‘কংগ্রেস করি বলেই তৃণমূল কংগ্রেস ষড়যন্ত্র আমাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে’।

মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, ‘প্রকৃত উপভোক্তারা যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাদ না পড়েন বিষয়টি প্রশাসনকে দেখতে বলা হয়েছে’।

চাঁচলের মহকুমা শাসক ঋত্বিক হাজরা অবশ্য অভিযোগ পত্র খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *