Awas Minimize cash | আবাসের ঘর মেলেনি, ঠাঁই গোয়ালে, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ

Awas Minimize cash | আবাসের ঘর মেলেনি, ঠাঁই গোয়ালে, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ

শিক্ষা
Spread the love


আজাদ, মানিকচক: তৃণমূল নেতা তথা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দেননি। সেই ‘অপরাধে’ মিলল না আবাস যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা। তৃণমূল নেতার ‘নিষেধে’ নাকি এই বিষয়ে তদন্তও করেননি প্রশাসনিক কর্তারা। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা না মেলায় থমকে গিয়েছে এনায়েতপুরের এক পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ। বাসযোগ্য কোনও ঘর না থাকায় মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে বাড়ির গোয়াল। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে মানিকচকজুড়ে। যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে বসবাস করেন ভবানী ঘোষ। তাঁর স্বামী শিবু ঘোষ ভিনরাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক। দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা এই পরিবারের নাম নথিভুক্ত হয় বাংলা আবাস যোজনায়। ২০২৪ সালের শেষের দিকে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পান ভবানীরা। সেই টাকায় কুঁড়েঘর ভেঙে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়। কিন্তু তারপরে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পায়নি পরিবারটি। প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকলেও দ্বিতীয় কিস্তির টাকার জন্য প্রশাসনিকভাবে কোনও তদন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ। এই সমস্যার কথা তিনি ব্লক প্রশাসন এবং পঞ্চায়েতকে লিখিত আকারে জানান।

এরপরই তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা হালিমা বিবির স্বামী শেখ জিয়াউল ভবানীর বাড়িতে গিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে টাকা দাবি করেন। টাকা দিলেই নাকি দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে বলে জানান ওই তৃণমূল নেতা। কিন্তু তৃণমূল নেতাকে টাকা দিতে রাজি হননি ভবানী। জিয়াউলকে টাকা না দেওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারকে। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা শেখ জিয়াউল নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য তদন্ত আটকে দিয়েছেন। ফলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা না পাওয়ায় নতুন বাড়ি তৈরির কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। আগের কুঁড়েঘর ভেঙে ফেলায় বাসযোগ্য কোনও ঘরই নেই। বাধ্য হয়ে সন্তানদের নিয়ে গোয়ালে রাত কাটাতে হচ্ছে। ভবানীর কথায়, ‘বাংলার বাড়ির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা গ্রামের অনেকে পেলেও আমি পাইনি। বিষয়টি নিয়ে ব্লক ও পঞ্চায়েতকে একাধিকবার জানিয়েছি। শেষে তৃণমূল নেতা শেখ জিয়াউল বাড়ি এসে টাকা দাবি করেন। বলেন, বিনামূল্যে নাকি কোনও কাজ হয় না। কিন্তু আমার কাছে টাকা না থাকায় দিতে পারিনি। তাই বাড়ির কাজও সম্পূর্ণ হয়নি।’

যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত  জিয়াউল। তাঁর সাফাই, ‘ভবানী ঘোষ আমাকে কোনও টাকা দেয়নি। আমিও তার কাছে কোনও টাকা আবদার করিনি। আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানালেন এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তপতী মণ্ডল মজুমদার। তিনি বলেন, ‘এভাবে কেউ টাকা নিতে পারে না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি, কেন ওই পরিবার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পায়নি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *