Asif Nazrul | ভারত বিরোধিতায় ‘মিথ্যা’ তথ্যের আশ্রয়? মুস্তাফিজ ইস্যুতে নজরুলের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলছে আইসিসি

Asif Nazrul | ভারত বিরোধিতায় ‘মিথ্যা’ তথ্যের আশ্রয়? মুস্তাফিজ ইস্যুতে নজরুলের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলছে আইসিসি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সফর এবং নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের (Asif Nazrul) করা বিস্ফোরক দাবি ঘিরে বিশ্ব ক্রিকেটে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সোমবার আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন যে, আইসিসি (ICC) চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে ভারতে মুস্তাফিজুর রহমান খেললে বা সমর্থকরা জার্সি পরলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে। তবে আইসিসি-র অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, এমন কোনও চিঠি বিসিবি-কে (BCB) পাঠানোই হয়নি।

সোমবার বাফুফে ভবনে আসিফ নজরুল দাবি করেন, আইসিসি-র নিরাপত্তা দল তাঁদের উদ্বেগকে মান্যতা দিয়েছে। তিনি বলেন, “আইসিসি চিঠিতে জানিয়েছে তিনটি কারণে ঝুঁকি বাড়বে—১. মুস্তাফিজ দলে থাকলে, ২. সমর্থকরা জার্সি পরলে এবং ৩. বাংলাদেশের নির্বাচন এগিয়ে এলে।” তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে ভারত-বিরোধী প্রচার হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে আইসিসি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ক্রীড়া উপদেষ্টার এই দাবি সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’। আইসিসি এমন কোনও আশঙ্কার কথা লিখিতভাবে জানায়নি। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল একটি সরকারি বিবৃতি জারি করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

আসিফ নজরুল যখন আইসিসি-র চিঠির কথা বলছেন, ঠিক তার আগেই গত ৯ জানুয়ারি বিসিবি (BCB) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছিলেন যে, তাঁদের পাঠানো চিঠির বিপরীতে আইসিসি-র কাছ থেকে কোনও উত্তর এখনও আসেনি। ৮ জানুয়ারি বিসিবি আইসিসি-কে দ্বিতীয়বার চিঠি পাঠিয়ে টুর্নামেন্ট শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল। বিসিবি প্রধানের বক্তব্য এবং ক্রীড়া উপদেষ্টার দাবির মধ্যে এই অসঙ্গতি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আইপিএল ২০২৬-এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বাদ পড়া এবং ভারতে চলমান উত্তেজনার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ দল ইতিমধ্যেই ভারতে না যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি-কে জানিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে খেলা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আসিফ নজরুলের এই মন্তব্য আসলে একটি পরিকল্পিত ‘প্রোপাগান্ডা’। যেখানে আইসিসি এখনও কোনও সবুজ বা লাল সংকেত দেয়নি, সেখানে খোদ সরকারের একজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তির এমন ‘উদ্ভট’ দাবি দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের অবনতি ঘটাতে পারে। এখন আইসিসি-র আনুষ্ঠানিক বিবৃতির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ক্রিকেট বিশ্ব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *