Anandapur Hearth | ছিল না বৈধ অনুমোদন! দেড় দিন পর আনন্দপুরে ভস্মীভূত কারখানা পরিদর্শন দমকলমন্ত্রীর  

Anandapur Hearth | ছিল না বৈধ অনুমোদন! দেড় দিন পর আনন্দপুরে ভস্মীভূত কারখানা পরিদর্শন দমকলমন্ত্রীর  

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur Hearth) দেড় দিন পর মঙ্গলবার অকুস্থল পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। সঙ্গে ছিলেন দমকলের ডিজি। রবিবার রাতের ওই বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একটি নামী খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থার মোমো তৈরির কারখানা ও গুদাম। এদিন এলাকা পরিদর্শনের পর দমকলের ডিজি স্বীকার করে নেন যে, কারখানাটির কোনও বৈধ অনুমোদন বা ‘ফায়ার ক্লিয়ারেন্স’ ছিল না। জনবহুল এলাকায় কীভাবে দিনের পর দিন এমন অনুমোদনহীন গুদাম চলছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বড়সড়ো প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছান মন্ত্রী। তিনি ভস্মীভূত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সর্বস্ব হারানো মানুষ ও শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়ে সুজিত বসু জানান, আইন অনুযায়ী যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সব নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও দমকল কর্মীরা যে নিরলস পরিশ্রমে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এদিন মন্ত্রী এলাকায় পৌঁছালে বিজেপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে বিক্ষোভ উপেক্ষা করেই তিনি আর্তদের পাশে দাঁড়ান।

কারখানার ভেতর থেকে এ পর্যন্ত ৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, এখনও অনেক শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের প্রায় সকলেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নাজিরাবাদের এই ‘জতুগৃহ’ থেকে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে এই মরণফাঁদ চলছিল, এখন সেটাই তদন্তের মূল বিষয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *