Allegations of 1 crore venture at Deben Mahato Medical School in Purulia has been stalled

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাম্পাসের অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে এবার কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে এল! ওই মেডিক্যাল কলেজের আউটলেট সমস্যার সমাধানে ফাইল পূর্ত দপ্তরের কাছে পাঠানো রয়েছে, গত দু’দিন ধরে স্বাস্থ্য দপ্তর এমন বিবৃতি দিয়ে যায়। কিন্তু শুক্রবার রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের বৈঠকের আগে জানা যায়, তৃণমূল জমানায় ওই আউটলেট সমস্যায় প্রায় ১ কোটি টাকার কাজের ফাইল প্রায় আড়াই বছর স্বাস্থ্যভবনেই আটকে ছিল। নতুন সরকার আসার পর সেই ফাইল লাল ফিতের ফাঁস খুলে নতুন করে এস্টিমেটের জন্য স্বাস্থ্যভবন এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়। তারপর দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ তা পূর্ত দপ্তরের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এদিন পূর্ত দপ্তর জানিয়েছে, তারা ওই ফাইল পুজোর আগে হাতে পেয়েছে। অফিস খুললে কয়েক দিনের মধ্যেই তারা নতুন এস্টিমেট বানিয়ে আবার মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবে। দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ মৌসুমি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ওই ফাইল পূর্ত দপ্তরে কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। কবে পাঠানো হয়েছে তা এখনই বলতে পারব না।” তবে দীর্ঘদিন স্বাস্থ্যভবনে পড়েছিল তা স্বীকার করে নিয়েছে দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:

রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধীরে ধীরে দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু সেই মান্ধাতার আমলে নিকাশিই রয়ে গিয়েছে। ফলে এই দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। তৃণমূলের জমানায় প্রায় আড়াই বছর আগে এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই আউটলেট সমস্যার সমাধানে প্রায় ১ কোটি টাকার প্রকল্প রিপোর্ট পূর্ত দপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেডিক্যালের হাত ধরে স্বাস্থ্য ভবনে যায়। কিন্তু তারপর দীর্ঘদিন ওই ফাইল পড়েই ছিল। এই কাজে কোন অর্থ বরাদ্দ হয়নি। ফলে বেহাল নিকাশি থেকেই গিয়েছে এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রাজ্যে পালাবদলের পর এই জেলার স্বাস্থ্য নিয়ে বিধায়করা সরব হওয়ায় সম্প্রতি স্বাস্থ্য ভবন নতুন করে এস্টিমেট-র জন্য দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করে।

এই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সদর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন নোংরা জল হাসপাতালের পেছনে একটি সরু ড্রেন দিয়ে যায়। এটাই দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ওই জলকে পুরসভার হাইড্রেনে মেশানো হবে। সেই কারণেই প্রায় ১ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বৈঠকে সমস্ত মেডিক্যাল কলেজকেই ক্যাম্পাস সহ ওয়ার্ড-র ভিতরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। যখন ওয়ার্ডের ভেতরে সাফাই কাজ চলবে তখন সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে উপস্থিত থাকারও নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এবং হাসপাতালে কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন তিনি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *