Alipurduar | পালাবদলের পরেও বহাল তবিয়তে দাপট! হুমকি ও অবৈধ কারবারের অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

Alipurduar | পালাবদলের পরেও বহাল তবিয়তে দাপট! হুমকি ও অবৈধ কারবারের অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


সোনাপুর: রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) আমলে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)-১ ব্লক সহ বিভিন্ন এলাকায় বালি-পাথরের একচেটিয়া কারবার ছিল তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন দে’র। এখন রাজ্যে পালাবদলের পরেও তাঁর দাপট নাকি কমেনি। তিনি নাকি গ্রামবাসীদের হুমকি দিচ্ছেন। রবিবার রাতে মনোরঞ্জন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের হয়েছে আলিপুরদুয়ার থানায়। অভিযোগ করেছেন শিলবাড়িহাট এলাকার বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পরিমল ঘোষ। সেইসঙ্গে একই অভিযোগ তুলে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছেন আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পাতলাখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত (Patlakhawa Gram Panchayat) এলাকার বাসিন্দারা।

তবে মনোরঞ্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাঁর দুটো মোবাইলের নম্বরই বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। রবিবার রাত থেকেই মনোরঞ্জনের মোবাইল বন্ধ। এমনকি সোমবার দিনভরও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। এদিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। আর তৃণমূল নেতারাও এসব নিয়ে খুব একটা মুখ খুলছেন না। দলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি তুষারকান্তি রায় বলেন, ‘আমি এইরকম কোনও অভিযোগ পাইনি। যারা অভিযোগ করেছে, তারাই এই বিষয়টি নিয়ে ভালো বলতে পারবে।’

যে পাতলাখাওয়া এলাকা থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মনোরঞ্জন সেখানকার বাসিন্দা। তিনি প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হওয়ার পাশাপাশি এখনও জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। মনোরঞ্জনকে নিয়ে এহেন অভিযোগ জমা পড়ার পর স্বভাবতই জেলার রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।

আলিপুরদুয়ার থানায় অভিযোগ করা নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার জেলা সভাপতি রূপন দাস বলেন, ‘মনোরঞ্জন দে’র বালি-পাথরের কালো করবার সম্পর্কে সবাই জানে। তিনি বিভিন্ন জায়গায় কোটি টাকার অবৈধ বালি-পাথর জমিয়েছেন। সেসব এখন সরানোর চেষ্টা করছেন। তাতে গ্রামবাসীরা বাধা দিলে তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দলের এক পঞ্চায়েত সদস্যকেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’

দুটো অভিযোগই পুলিশকে জানানো হয়েছে, শিলতোর্ষা নদীতে ২০১৬ সাল থেকে মনোরঞ্জন এবং তাঁর স্ত্রী শিখা দে’র নামে বালি-পাথরের খাদান লিজে নেওয়া হয়। সেটার মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হলেও সেই খাদানগুলো থেকে বালি-পাথর তুলে পাতলাখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় জমিয়ে রাখা হয়েছে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, গত ৫ জুন সেই জমিয়ে রাখা বালি-পাথর বেশি দামে বিক্রি করা নিয়ে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। তখনই হুমকি দেওয়া ও আগ্নেয়াস্ত্র সহকারে ভয় দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এদিন বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পরিমল ঘোষ বলেন, ‘অবৈধ করবার আটকাতে যেতেই আমাদের হুমকি দেওয়া হয়। তবে আমরা চুপ করে থাকব না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *