প্রণব সূত্রধর, আলিপুরদুয়ার: সহায়কমূল্যে ধান বিক্রি করেও টাকা পাচ্ছেন না কৃষকরা। প্রায় এক মাস ধরে এই সমস্যা চলছে বলে অভিযোগ। ১৯ ফেব্রুয়ারির পর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। এ নিয়ে সদুত্তর দিতে পারছেন না খাদ্য দপ্তরের কর্তারাও। একজন কৃষক সহায়কমূল্যে ১৫ কুইন্টাল ধান বিক্রি করতে পারেন। সরকারি ধান ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। কৃষকদের কুইন্টাল প্রতি ২৩৬৯ টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া উৎসাহ মূল্য হিসেবে প্রতি কুইন্টালে আরও ২০ টাকা করে দেওয়া হয়। প্রতিটি ব্লকে সরকারি ধান ক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে মিল মালিকরা কৃষকদের কাছ থেকে ধান বুঝে নেন। দিনে একটি কেন্দ্রে ৩০-৪০ জন ধান দিয়ে থাকেন। প্রতিটি ব্লকেই একাধিক সহায়কমূল্যে ধান বিক্রির কেন্দ্র রয়েছে। এদিকে, আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের কৃষক বাজার সহ একাধিক জায়গাতেই সমস্যার অভিযোগ উঠছে। আলিপুরদুয়ার-২ ব্লক সহ বিভিন্ন জায়গায় একই অভিযোগ।
আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের (Alipurduar) তপসিখাতা এলাকার এক কৃষক বলছেন, ‘সরকারি সহায়কমূল্যে প্রায় এক মাস আগে ধান বিক্রি করেছি। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা দেওয়ার কথা। তবে এখনও সেই টাকা মেলেনি।’
আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া সংলগ্ন এলাকার আরেক কৃষক হতাশার সুরে বলেন, ধান বিক্রির টাকা পেলে সবজি চাষ করি। তবে সেই টাকা মিলছে না। ভোট ঘোষণা হওয়ার পর সেই টাকা মিলবে কি না বুঝে উঠতে পারছি না।
এই বিষয়ে ডিস্ট্রিক্ট ফুড কন্ট্রোলার অরুণকুমার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তবে কবে সেই টাকা প্রদান করা হবে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি কেউ।
চাপরেরপার-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাধবী রায়ের কথায়, ‘ধান বিক্রির পর টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রদান করা হয়। কৃষকরা টাকা পাচ্ছেন না এমন অভিযোগ এখনও পাইনি। কাগজপত্রে ভুল থাকলে অনেক সময় সমস্যা হতে পারে।’
