ফালাকাটা: ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’ (Montha)-র প্রভাব প্রায় কেটে গিয়েছে। রবিবার থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে এখনও আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ১ এর পশ্চিম কাঁঠালবাড়ি ও মেজবিল গ্রামের প্রায় দেড়শো বিঘা ধানের জমি জলে ডুবে রয়েছে। কৃষকদের দাবি, কোনো ধানখেতে কোমর সমান জল, কোথাও আবার হাঁটু সমান জল। এরজন্য তাঁরা দায়ী করছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকেই। কারণ, মেজবিল এলাকায় গিরিয়া নদীর উপর কয়েক মাস থেকে পাকা সেতুর কাজ চলছে। ফলে গিরিয়া নদীর গতিপথ প্রায় অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে। ফলে বৃষ্টির জল নদী দিয়ে বয়ে যেতে পারছে না।
এদিন আন্দোলনে (Protest) শামিল হন কৃষকরা। স্লোগান তুলে মিছিল করে নির্মীয়মাণ গিরিয়া সেতুর কাছে আসেন। বন্ধ করে দেন সেতুর কাজ। এরপর গিরিয়া ডাইভারশনের উপর দাঁড়িয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। অবরোধের জেরে সপ্তাহের প্রথমদিন সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অফিসযাত্রীদের বচসাও চলে বলে অভিযোগ। মহাসড়কের গিরিয়া সেতুর সাইট ইনচার্জ বুদ্ধদেব মাইতি এলাকায় আসেন। তিনি আশ্বাস দেন, এদিনই নদীর জল বয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। প্রায় ৪০ মিনিট পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। তবে কৃষকদের দাবি, জল নামার ব্যবস্থার পাশাপাশি ধানের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কারণ, এখন আমন ধান প্রায় পেকে গিয়েছে৷ আর জলের জন্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এনিয়ে কৃষকরা বিডিও ও ব্লক কৃষি দপ্তরকে গণস্বাক্ষর সম্বলিত দাবিপত্র দেবেন বলেও জানান।
