Alipurduar | তিনদিন পরেও খোঁজ মেলেনি ধর্ষণে অভিযুক্তের, পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয় হওয়াতেই বাড়তি সুবিধা, উঠছে প্রশ্ন

Alipurduar | তিনদিন পরেও খোঁজ মেলেনি ধর্ষণে অভিযুক্তের, পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয় হওয়াতেই বাড়তি সুবিধা, উঠছে প্রশ্ন

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


আলিপুরদুয়ার: অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরে তিনদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার আত্মীয় এখনও অধরা। এনিয়ে আলিপুরদুয়ার বঞ্চুকুমারী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই ছাত্রীর বাড়ির কাছেই থাকে অভিযুক্ত। আলিপুরদুয়ার মহিলা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হলেও নাবালিকার পরিবারের দাবি, অভিযোগ দায়ের হওয়ার তিনদিন পরেও বছর ছাপ্পান্নর অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েনি। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই ওই ব্যক্তি পলাতক। পুলিশ অভিযুক্তকে ধরতে কয়েকবার তার বাড়িতে হানা দিলেও খোঁজ মেলেনি। এনিয়ে আলিপুরদুয়ার মহিলা থানার ওসি তৃষ্ণা লিম্বু কেবল বলেন, ‘মামালা শুরু করে অভিযুক্তের খোঁজ চালানো হচ্ছে।’

তাহলে কি পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয় হওয়ার সুবাদেই সুবিধা পাচ্ছে অভিযুক্ত, প্রশ্ন উঠছে। বৃহস্পতিবার এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সেখানকার পরিবেশ এখনও থমথমে। তবে অভিযুক্ত যে পঞ্চায়েত সদস্যের আত্মীয় তিনি অবশ্য এবিষয়ে অভিযুক্তকে সমর্থন করছেন না। ছাত্রীর প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে ছাত্রীর কাউন্সেলিং ও মেডিকেল পরীক্ষার পর তাকে হোমে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কয়েকদিন আগে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ভয়ে ছাত্রীটি প্রথমে বাড়িতে কিছুই বলেনি। প্রতিবেশী হওয়ায় নাবালিকা অভিযুক্তের বাড়িতে নিয়মিত গিয়ে খেলাধুলো করত, টিভি দেখত। অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন আগে ধর্ষণ হলেও সেবিষয়ে মুখ খুলতে ছাত্রীকে নিষেধ করে ভয় দেখায় অভিযুক্ত। তাতেই নাবালিকার আচরণ ও কথাবার্তার ধরন বদলে যায়। এমনকি তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্তের পরিবারের তরফে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। কেন মারধর করা হল সেই খোঁজ করতেই নাবালিকার পরিবার ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরেছিল। তখনই প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রীর মা আলিপুরদুয়ার মহিলা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।

নাবালিকার বাবা পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক ও মা পরিচারিকার কাজ করেন। তার বাড়িতে বৃদ্ধ ঠাকুরদা ও ভাইবোন রয়েছে। ওই ছাত্রীর ঠাকুরদার কথায়, ‘অভিযুক্তকে আমার নাতনি দাদু বলে ডাকত। ওদের বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। হঠাৎ তিনদিন আগে আমার নাতনিকে মারধর করা হয়। কেন মারধর করা হয়েছে, তা প্রথমে আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। তারপর নাতনিকে ভালো করে জিজ্ঞাসা করতেই সে শেষমেশ জানায় যে অভিযুক্ত তাকে ধর্ষণ করেছে এবং গোটা বিষয়টি যাতে সামনে না আসে সেই জন্য ভয় দেখাতেই তাকে মারধর করা হয়েছিল। আমরা চাই অভিযুক্তর উপযুক্ত শাস্তি হোক।’ অন্যদিকে বঞ্চুকুমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপঙ্কর দাস বলেন, ‘আমরা সকলে ছাত্রীটির পরিবারের পাশে রয়েছি। অভিযুক্তের কঠিন সাজা হোক, এটাই চাই।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *