Akhilesh Yadav | ‘প্রদীপ-মোমবাতিতে টাকা খরচের কী দরকার?’ দীপাবলির আবহে ‘পরামর্শ’ দিয়ে বিতর্কে অখিলেশ

Akhilesh Yadav | ‘প্রদীপ-মোমবাতিতে টাকা খরচের কী দরকার?’ দীপাবলির আবহে ‘পরামর্শ’ দিয়ে বিতর্কে অখিলেশ

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সারা দেশজুড়ে দীপাবলির আবহে (Diwali celebrations) বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav)। দীপাবলি উপলক্ষ্যে অযোধ্যায় সরযূ নদীর তীরে ২৬ লক্ষ মাটির প্রদীপ জ্বালানো হবে। সেজন্য জোরকদমে তোড়জোড় চালাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন (UP authorities)। যা নিয়ে যোগী সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে দীপাবলির সঙ্গে বড়দিন উদযাপনের তুলনা টেনে বিপাকে পড়লেন অখিলেশ নিজেই। তাঁর মতে, দীপাবলিতে প্রদীপ ও মোমবাতি কেনার জন্য এত টাকা খরচ করা উচিত নয়।

শনিবার এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় অখিলেশ বলেন, ‘আমি কোনও পরামর্শ দিতে চাই না। তবে আমি ভগবান রামের নামে একটি পরামর্শ দেব। ক্রিসমাসের সময় বিশ্বজুড়ে সমস্ত শহর আলোকিত হয়। মাসজুড়ে সব সাজানো থাকে। আমাদেরও ওদের কাছ থেকে শেখা উচিত।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘কেন প্রদীপ এবং মোমবাতির পেছনে আমাদের এতে টাকা খরচ করতে হবে এবং চিন্তাভাবনা করতে হবে? এই সরকারের কাছ থেকে আমরা কী-ই বা আশা করতে পারি। এদের অপসারণ করা উচিত। আমরা ক্ষমতায় এলে সুন্দর আলো দিয়ে সাজিয়ে তুলব।’

দীপাবলির প্রসঙ্গ টেনে এখানে সরাসরি বিজেপি সরকারকেই নিশানা করেছেন অখিলেশ। কিন্তু তাঁর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাদের জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসাল অখিলেশকে নিশানা করে বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দীপাবলি উপলক্ষে বড়দিনের প্রশংসা করছেন। তিনি ১০০ কোটি হিন্দুকে বলছেন, প্রদীপ এবং মোমবাতির পেছনে টাকা নষ্ট করো না, বড়দিন থেকে শিক্ষা নাও।’ তিনি অখিলেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংস্কৃতির চেয়ে বিদেশি ঐতিহ্যকে মহিমান্বিত করার অভিযোগ এনেছেন।

পাশাপাশি অখিলেশের মন্তব্যে সরব হয়েছে বিজেপিও। দলের জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা অখিলেশকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘এই মন্তব্য সনাতন ধর্ম বিরোধী। যে রাজনৈতিক দল দীর্ঘ বছর ধরে অযোধ্যাকে অন্ধকারে রেখেছে, রাম মন্দির তৈরির জন্য সংগঠিত আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে, তারাই এখন দীপোৎসবের জন্য শহরের সাজসজ্জার বিরোধিতা করছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *