Air India pilots drug check | ফুকেট কাণ্ডের জেরে কড়া পদক্ষেপ! ড্রাগ টেস্টে ফেল আরও দুই এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটে মাঝআকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও একাধিক আহতের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এয়ার ইন্ডিয়া সংস্থায় আরও বড়সড়ো চাঞ্চল্য। সংস্থার তরফে নির্দেশিত প্রাথমিক ড্রাগ টেস্টে পাশ করতে পারেননি আরও দুই এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট (Air India pilots drug check)। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ওই দুই পাইলটের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল এখনও আসা বাকি রয়েছে, তবে সুরক্ষার খাতিরে তাঁদের ইতিমধ্যেই বিমান পরিচালনা বা রোস্টার থেকে সরিয়ে (De-rostered) দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ফুকেট থেকে দিল্লিগামী বিমানটির পাইলট-ইন-কমান্ড অবতরণের পর বাধ্যতামূলক দুটি ইউরিন টেস্টেই ফেল করেছিলেন। তাঁর শরীরে গাঁজার উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। সেই ঘটনার পরই নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) বা এসওপি নীতি মেনে এয়ার ইন্ডিয়ার সমস্ত পাইলটদের বাধ্যতামূলকভাবে ড্রাগ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেয় এই বিমান সংস্থা। ইতিমধ্যে তিনশোর্ধ্ব এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট এই পরীক্ষার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। সাধারণত চূড়ান্ত ড্রাগ টেস্টের ফলাফল আসতে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। জানা গিয়েছে, ফুকেট ফ্লাইটের ওই ঘটনার পর বিমানের এক কেবিন ক্রু সদস্য লিখিত অভিযোগ করেছিলেন যে পাইলট নাকি বিমান ওড়ানোর আগে ‘পট’ বা মাদক সেবন করেছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত যে এয়ারবাস এ-৩২০ নিও (Airbus A-320Neo) বিমানটিকে ঘিরে, তার যান্ত্রিক ত্রুটিও কম রোমহর্ষক ছিল না। ফ্লাইট ডেটা বলছে, বিমানটি হঠাৎ করেই মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। বিমানের তিনটি হাইড্রোলিক সিস্টেমে অভূতপূর্ব ও একসঙ্গে ব্যর্থতার কারণে লিফট বা এভেলেটর এবং আইলারনগুলির মতো প্রধান নিয়ন্ত্রণ পৃষ্ঠগুলি টানা চার সেকেন্ডের জন্য সম্পূর্ণরূপে বিকল হয়ে পড়েছিল। কোনো পাইলটের নির্দেশ ছাড়াই ওই অংশগুলি নিজের থেকেই সরে যায়। হাইড্রোলিক ব্যর্থতার জেরে স্পয়লারগুলিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল।

বিমান চালনায় হাইড্রোলিক সিস্টেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলিভেটর বিমানের নাক উপরে বা নিচে তুলতে সাহায্য করে, আইলারন ডানার ডগাকে কাত করে বিমানকে ডাইনে বা বাঁয়ে ঘোরায় এবং স্পয়লার গতি কমাতে ও নামতে সাহায্য করে। প্রথমে ঘটনাটিকে স্রেফ সাধারণ ‘turbulence’ বা ঝাঁকুনি বলে দাবি করা হলেও, বিমানের ব্ল্যাকবক্স বা সিস্টেম লগের তথ্য সামনে আসতেই আসল সত্য বেরিয়ে আসে। সিভিল এভিয়েশন রেগুলেশনের নিয়ম মেনে এয়ার ইন্ডিয়া নিয়মিত ক্রু মেম্বারদের ড্রাগ পরীক্ষা চালিয়ে গেলেও, ফুকেট কাণ্ডের পর এই একের পর এক পজিটিভ রিপোর্ট দেশের বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *