উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বাইরের তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেলে অ্যাসিডিটি হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু জানেন কি ঘরের সাধারণ খাবারেও বাড়তে পারে ‘অ্যাসিড রিফ্লাক্স’? অনেক সময় নিয়ম মেনে খেয়েও বুক-গলা জ্বালা বা অস্বস্তি থেকে রেহাই মেলে না। তাই শুধু খাবার বর্জন নয়, বরং সঠিক কিছু খাবার নিয়মিত ডায়েটে রাখলেই এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব (Acid Reflux)।
অ্যাসিড রিফ্লাক্সের হাত থেকে বাঁচতে পুষ্টিবিদরা মূলত পাঁচটি খাবারের উপর জোর দিচ্ছেন:
ওটস: প্রচুর ফাইবার সমৃদ্ধ ওটস পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড শোষণ করে নিতে পারে। সকালের জলখাবারে ওটস রাখলে সারা দিন অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ভয় অনেকটাই কমে যায়।
আদা: শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন কমানোর অব্যর্থ ওষুধ আদা। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কমায়। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি আদা-চা বা ঈষদুষ্ণ জলে আদা মিশিয়ে খেলে দ্রুত আরাম মেলে।
সবুজ শাকসবজি: বিনস, ব্রকোলি বা পালং শাকের মতো সবজিতে ফ্যাট ও শর্করার পরিমাণ খুব কম থাকে। ফলে এগুলো হজম করা সহজ এবং অ্যাসিড উৎপাদন কম হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে রান্নায় যেন অতিরিক্ত তেল-মশলা না থাকে।
জলীয় ফল: তরমুজ, ফুটি, আপেল বা নাশপাতির মতো ফল যাতে জলের পরিমাণ বেশি এবং অ্যাসিড কম, সেগুলো অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া ডাবের জল বা নারকেলও অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
কলা: এটি একটি ক্ষারীয় বা অ্যালকালাইন ফল। কলা খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং খাদ্যনালীর দেওয়ালে একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি হয়, যা জ্বালাপোড়া কমায়।
অ্যাসিড রিফ্লাক্স কেবল সাময়িক অস্বস্তি নয়, দীর্ঘমেয়াদী অবহেলায় এটি গুরুতর সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই ঘরোয়া এই সাধারণ অভ্যাসগুলো বদলে দিতে পারে আপনার জীবনযাত্রা।
