Abhijeet Dipke CJP Marketing campaign | ১৫ অগাস্ট থেকে গ্রাম্য স্কুলের ভোল বদল? দেশব্যাপী নতুন অভিযানের ডাক অভিজিৎ দীপকে-র

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দেশজুড়ে সরকারি স্কুলগুলোর পরিকাঠামো ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এক বৃহৎ অভিযানের ডাক দিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke CJP Marketing campaign) এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করে গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান এবং অভিভাবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে, অর্থাৎ ১৫ অগাস্ট থেকেই এই মহৎ কাজের অঙ্গীকার নেওয়ার আর্জি জানান তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় দীপকে বলেন, স্বাধীনতার আশি বছর পরেও দেশের গ্রাম্য সরকারি স্কুলগুলো চরম অবহেলা ও উপেক্ষার শিকার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমরা নতুন সংসদ ভবন বানিয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন বাসভবন তৈরি করেছি। তবে গ্রামের সরকারি স্কুলগুলোর পরিকাঠামো উন্নত করতে পারলাম না কেন? কৃষক ও শ্রমিকদের সন্তানদের কি আমরা দেশের ভবিষ্যৎ বলে মনে করি না? বড় শহরের শিশুরা যে সুযোগ-সুবিধা পায়, গ্রামের ছেলেমেয়েদের তা থেকে কেন বঞ্চিত রাখা হচ্ছে?”

গ্রামের সরকারি স্কুলগুলোতে পর্যাপ্ত পানীয় জল, বিদ্যুৎ এবং শৌচাগারের অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ পথ হেঁটে স্কুলে যাওয়া শিশুদের, বিশেষ করে কন্যাসন্তানদের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এই অবস্থার পরিবর্তনে অভিজিৎ দীপকে নিজে মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চলের হিঙ্গোলি গ্রামে গিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো সংস্কারের দাবি জানাবেন। পাশাপাশি, যেসব সরপঞ্চ নিজেদের গ্রামের স্কুলের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হবেন, তাঁদের সেই উদ্যোগ সিজেপি-র অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।

অভিভাবকদের প্রতি দীপকের বার্তা, নিজেদের সন্তানের স্কুলের ‘সোশ্যাল অডিট’ বা সামাজিক পর্যালোচনা করুন। স্কুলে জল, বিদ্যুৎ, শৌচাগার ও মিড-ডে মিলের সঠিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে বলেন তিনি। সুবিধা না থাকলে ভিডিও তুলে ধরে সোচ্চার হওয়ার পরামর্শও দেন। জানা গিয়েছে, সিজেপি-র পক্ষ থেকে শীঘ্রই একটি অনলাইন ফর্ম প্রকাশ করা হবে, যেখানে অভিভাবকেরা স্কুলের পরিকাঠামোগত অভাব-অভিযোগের তথ্য জমা দিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, আমেরিকায় বসে একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সিজেপি-র যাত্রা শুরু হলেও, পরবর্তীতে তা রাজপথে নেমে জাতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। বিশেষ করে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের বিরুদ্ধে দিল্লি যন্তরমন্তরে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে সঙ্গে নিয়ে ৩৬ দিনের টানা আন্দোলনে নাম ছড়িয়ে পড়ে এই তরুণ সংগঠনের। শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ও কেন্দ্রের সুর নরমের পর সিজেপি এখন দেশের তরুণদের সামাজিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ‘কী বলছে পাবলিক’ অভিযানের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রের মূলগত সংস্কারে মনোযোগ দিচ্ছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *