তৃণমূলের অন্তত ১০০টি আসন চুরি করেছে বিজেপি! সোমবার বিকেলে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এই অভিযোগ এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই একই কথা বললেন রাহুল গান্ধীও। এক্স হ্যান্ডেল তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সাহায্যে অসম এবং বাংলায় ভোট লুঠ করেছে বিজেপি। উল্লেখ্য, ভোটগণনার পর তৃণমূলের হার নিশ্চিত হতেই মমতাকে ফোন করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ইন্ডিয়া জোটকে আবার চাঙ্গা করে তুলতে চাইছেন রাহুল। জোটের নেতৃত্বও সম্ভবত নিজের হাতেই রাখতে চান তিনি।
সোমবার গণনাকেন্দ্র থেকে তৃণমূলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে কার্যত ঘরের পোশাকেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা। বেশ কয়েকঘণ্টা পর বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি। মমতা এদিন বলেন, “আমাকে মেরেছে। আমি প্রার্থী, আমাকে ঢুকতে দিচ্ছে না। এটা একটা দানবিক পার্টি। ১০০ টা সিট চুরি করেছে।” উল্লেখ্য, ভোট গণনায় কারচুপি হতে পারে, দিন কয়েক আগেই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সেই কারণে সকল প্রার্থীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সাফ বলেছিলেন গণনার দিন যেন প্রার্থী বা এজেন্ট যে ভিতরে থাকবেন, তিনি যেন কেন্দ্র না ছাড়েন।
আরও পড়ুন:
নেত্রীর নির্দেশ পালন করেছেন সকল প্রার্থী। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাংলাজুড়ে গেরুয়া ঝড়। ফলাফল স্পষ্ট হতেই অভিযোগে সরব হলেন মমতা (Mamata Banerjee)। বললেন, একশোর বেশি আসনে কারচুপি করা হয়েছে। সেই একই সুর শোনা গেল রাহুলের কণ্ঠে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘অসম আর পশ্চিমবঙ্গে স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে যে নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি ভোট লুট করেছে। মমতাজির সঙ্গে আমি একমত। বাংলায় ১০০টার বেশি আসন চুরি হয়েছে। এই একই ঘটনাক্রম আমরা আগে দেখেছি-মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে।’
Assam and Bengal are clear instances of the election being stolen by the BJP with the help of the EC.
We agree with Mamata ji. Greater than 100 seats have been stolen in Bengal.
We have now seen this playbook earlier than:
Madhya Pradesh.
Haryana.
Maharashtra.
Lok Sabha 2024 and many othersचुनाव चोरी,…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) May 4, 2026
রাহুলের তোপ, ভোট চুরি থেকে শুরু করে সংস্থা চুরি সবই করে ফেলেছে বিজেপি। আর কীই বা বাকি রয়েছে। উল্লেখ্য, ইন্ডিয়া জোটের দুই স্তম্ভ তৃণমূল এবং ডিএমকে-দুই দলের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। ডিএমকে এমকে স্ট্যালিন এবং তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-দু’জনকেই ফোন করেছেন রাহুল। বিজেপিবিরোধী জোট যেন এই ফলাফলের পর আরও জোরদার হয়, রাহুল সেই চেষ্টা করছেন বলেই মনে করছে বিশ্লেষকমহল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
