হৃদরোগে প্রয়াত অমনজ্যোতের ঠাকুমা? জল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্বকাপে মোড় ঘোরানো ক্যাচের নায়িকা

হৃদরোগে প্রয়াত অমনজ্যোতের ঠাকুমা? জল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্বকাপে মোড় ঘোরানো ক্যাচের নায়িকা

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লরা উলফার্টের ক্যাচ যখন তালুবন্দি করলেন অমনজ্যোত কৌর, তখনও জানতেন না ম্যাচের পর এভাবে আকাশ ভেঙে পড়বে। বিশ্বকাপ চলাকালীন হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল অমনজ্যোতের ‘ছায়াসঙ্গী’ ঠাকুমার। কিন্তু তাঁকে সে খবর জানানো হয়নি, যাতে বিশ্বকাপ থেকে ফোকাস না সরে যায়। এদিকে বিশ্বকাপের পর ছড়িয়ে পড়ে, ভারতীয় ক্রিকেটারের ঠাকুমা। সত্যিই কি তাই? মুখ খুললেন অমনজ্যোত।

না, অমনজ্যোতের ঠাকুমা জীবিত আছেন। অসুস্থ হয়েছিলেন ঠিকই, তবে এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। কিন্তু অমনজ্যোতের বাবা ভূপিন্দর সিংয়ের বক্তব্যকে বিকৃত করে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, ক্রিকেটারের ঠাকুমা প্রয়াত। অমনজ্যোত সোশাল মিডিয়ায় খোলসা করে জানিয়েছেন তাঁর ঠাকুমা ভালো আছেন। তিনি লিখেছেন, ‘সবাইকে জানাতে চাই ঠাকুমা আগের থেকে অনেক অনেক ভালো আছেন। দয়া করে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবরে বিশ্বাস করবেন না। যাঁরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত, তাঁদেরকে ধন্যবাদ।’ ঠাকুমার জন্য লিখেছেন, ‘আমার ৯০-র বাচ্চাটা দারুণ আছে।’

আসলে বিশ্বজয়ের পর সংবাদমাধ্যমকে ভূপিন্দর সিং বলেন, “ছোট থেকেই ওর ছায়াসঙ্গী আমার মা ভগবন্তী। ওর শক্তির স্তম্ভ ছিল ঠাকুমা। আমি যখন বালোঙ্গিতে দোকানে কাঠের কাজে ব্যস্ত থাকতাম, তখন অমনজোতের দেখাশোনা করত আমার মা। গত মাসে মা হৃদরোগে আক্রান্ত হল। আমরা অমনজোতকে কিছুই জানাইনি। জানালে ওর মনঃসংযোগ নষ্ট হতে পারত। মায়ের চিকিৎসার জন্য গত কয়েকদিন আমাদের হাসপাতালে কাটাতে হয়েছে। এই টালমাটাল সময়ে বিশ্বকাপ জয় অবশ্যই আমাদের ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দিয়েছে।”

বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন অমনজ্যোত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আট নম্বরে নেমে ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। মনে রাখতে হবে, সেই ম্যাচে ১২৪ রানে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে তাঁর এই ইনিংস। বল হাতেও পেয়েছেন ছ’টি উইকেট। ফাইনালে অসাধারণ ক্যাচ তো বটেই, তাজমিন ব্রিটসকে রান আউটও করেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *