হাসপাতাল থেকে ফিরলেন রাকেশ রোশন, এখন কেমন আছেন বর্ষীয়ান পরিচালক?

হাসপাতাল থেকে ফিরলেন রাকেশ রোশন, এখন কেমন আছেন বর্ষীয়ান পরিচালক?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কিছুদিন আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন স্বনামধন্য প্রযোজক ও পরিচালক রাকেশ রোশন। ১৬ জুন তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় তাঁকে কোকিলাবেন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মেয়ে সুনয়না রোশন বলিউড সংবাদমাধ্যমের কাছে এই খবর নিশ্চিত করেছিলেন। সুনয়না জানিয়েছিলেন, বাবার সদ্য নেক অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয়েছে। আইসিইউতে রাখা হয়েছিল তাঁকে। এবার হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন রাকেশ রোশন। কেমন আছেন এখন তিনি? জানালেন অনুরাগীদের।

নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে এদিন রাকেশ রোশন জানান, তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি ৭৫ শতাংশ ব্লকেজ ছিল বলেও জানান। তাঁর শরীরে এমন রোগের কোনও উপসর্গ ছিল না। একইসঙ্গে তিনি এও বলেন, “নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করি। রুটিন চেকআপে গিয়ে হৃদযন্ত্রের পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি এদিন চিকিৎসক আমাকে ঘাড়ের একটি টেস্ট করতেও দেন। এরপরই জানা যায় আমার মস্তিষ্কে ৭৫ শতাংশেরও বেশি ব্লকেজ রয়েছে। তা সময়মতো চিকিৎসা না করালে বড়সড় সমস্যা হতে পারে। এরপরই আমি হাসপাতালে ভর্তি হই। এখন আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি কাজে ফিরব।

 
 
 
 
 
View this publish on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Rakesh Roshan (@rakesh_roshan9)

 

একইসঙ্গে সকলকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ৪৫ থেকে ৫০ বছরের বেশি বয়সের সকলের উচিত হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের নিয়মিত পরীক্ষা করা। নিজেকে সুস্থ রাখাই এই বয়সে বড় বিষয় তাই এর অন্যথা একেবারেই করা যাবে না।” রাকেশ রোশনের সেই পোস্ট নিজের সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন হৃতিক নিজেও। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই পুত্র হৃতিক রোশনের পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার ঘোষণা করেছিলেন রাকেশ রোশন। বাবার দেখানো পথেই পরিচালনার খুঁটিনাটি রপ্ত করেছেন সুপারস্টার। এবার ‘কৃশ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার অপেক্ষা। তবে তার প্রাক্কালেই হাসপাতালে রাকেশ রোশন। যিনি বলিউডকে ‘করণ অর্জুন’, ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’, ‘কোই মিল গ্যয়া’, ‘কৃশ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *