হায়দরাবাদে রাহুল গান্ধীকে জার্সি উপহার মেসির, ফুটবলে মাতলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে

হায়দরাবাদে রাহুল গান্ধীকে জার্সি উপহার মেসির, ফুটবলে মাতলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পায়ে পায়ে বল নাচাচ্ছেন। ঠিক যে কাজের জন্য লিওনেল মেসি পরিচিত। এটা হতে পারত কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ঘটনার সাক্ষী থাকল হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়াম। পিছনে দাঁড়িয়ে মুচকি হাসছেন রড্রিগো ডি পল, লুইস সুয়ারেজরা। রয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। মেসি জার্সি উপহার দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে ইতিমধ্যে কলকাতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নেটিজেনরা তো খোঁচা দিতে শুরু করেছেন শতদ্রু ছিলেন না বলেই হায়দরাবাদের অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।

কলকাতা থেকে দুপুর দু’টো নাগাদ হায়দরাবাদে উড়ে যান মেসি। সন্ধ্যায় ছিল বিশেষ প্রদর্শনী ম্যাচ। মাঠে নেমে দু’পক্ষের প্লেয়ারদের সঙ্গে হাত মেলান আর্জেন্তিনীয় কিংবদন্তি। পিছনে ডি পল, সুয়ারেজরাই ছিলেন। শুধু তাঁরাই ছিলেন। আশেপাশে নামমাত্র লোক। ফলে দর্শকদের মেসিকে দেখতে অসুবিধা হয়নি। এখানেই শেষ নয়। গোটা স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন মেসি। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির সঙ্গে ফুটবল খেলেন। বেশ কিছুক্ষণ পায়ে বল নাচান মেসি। স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল আলোর খেলা। সব শেষে মেসিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আর্জেন্তিনীয় ফুটবল তারকা রাহুল গান্ধীকে একটি সই করা জার্সি উপহার দেন। যেন কলকাতায় যা যা হয়নি, সবই হায়দরাবাদে হয়েছে।

সেখানে মেসি বলেন, “আজ এখানে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা মনে থাকবে। ভারতে আসার আগে আমি এই দেশের ছবি দেখেছি। গত বিশ্বকাপের সময়ও অনেক কিছু জেনেছি। এত ভালোবাসা পেয়ে কৃতজ্ঞ। ভারতে এই ক’টা দিন কাটাতে পেরে গর্বিত।” বক্তব্য রাখেন লুইস সুয়ারেজ ও রড্রিগো ডি পলও। মেসি বল মেরে গ্যালারিতে পাঠিয়ে দেন। পেনাল্টি শুটআউট করেন। অনেকের সঙ্গে হাসিমুখ ছবি তোলেন। তবে গোটা বিষয়টা কোনও ভাবেই বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়নি। কিংবা কলকাতায় উদ্যোক্তার ঘনিষ্ঠদের মতো তাঁকে ছেঁকেও ধরা হয়নি। বরং শতদ্রুকে ছাড়াই হায়দরাবাদে মেসির অনুষ্ঠান সফল। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *