সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোয় বাংলা ছবির রমরমা। দুই পিরিয়ড ড্রামার মাঝে কম শো নিয়েও অব্যাহত ‘রক্তবীজ ২’-এর বিজয়রথ। তেইশ, চব্বিশের পুজোর বক্স অফিসের খেলা ঘুরিয়ে এবার ছাব্বিশ সালের পুজো রিলিজের ভিড়েও ‘গেমচেঞ্জার’ নন্দিতা-শিবপ্রসাদের ছবি! গত বৃহস্পতিবার মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমা ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে, ‘রক্তবীজ ২’-এর সুবাদে বাঙালি দর্শক যে অঙ্কুশকে নতুনভাবে আবিস্কার করেছেন, তা বললেও অত্যুক্তি হয় না। তাই তো রাত জেগে ‘প্যান্ডেল হপিং’ করতে গিয়ে অনুরাগীদের ভিড়ে অনন্যা অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন অভিনেতা।
কেমন অভিজ্ঞতা? অঙ্কুশের আক্ষেপ, “রাত জেগে ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখলাম ঠিকই কিন্তু এক-দুটো বাকি রয়ে গেল।” ঘড়িতে তখন ভোর চারটে। কিন্তু ক্লান্তি এতটুকু ছাপ ফেলেনি অঙ্কুশের চেহারায়। যে মণ্ডপেই যাচ্ছেন, ঘিরে ধরছেন দর্শনার্থীরা। কারও সেলফির আবদার। কেউ বা একটু ছুঁয়ে দেখতে চাইছেন ‘রক্তবীজ ২’-এর খলনায়ক’মুনির’কে। ভিলেন হয়েও যে দর্শকের কাছে এত ভালোবাসা পাওয়া যায়, সেটা অঙ্কুশকে দেখে অনুরাগীদের উল্লাস, উচ্ছ্বাসই বলে দেয়। প্যান্ডেল হপিংয়ে এসে অভিনেতার সঙ্গে মুখোমুখি হওয়াও অবশ্য চারটিখানি কথা নয়! অভিনেতা জানালেন, “প্রতিবছর হয় না। এবার প্ল্যান করেছিলাম সব মণ্ডপ দেখব।”
এদিন ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে সপরিবারে ঠাকুর দেখতে যান অঙ্কুশ। বিভিন্ন প্যান্ডেলে বিভিন্নরকম অভিজ্ঞতা হল। কোথাও অভিনেতার কোলে চড়ল খুদে ভক্ত। তার সঙ্গে ছবিও তুললেন অঙ্কুশ। গাল টিপে আদর করে দিলেন। আবার কোথাও মুনিরকে ঘিরে ধরলেন দর্শনার্থীরা। দর্শক-অনুরাগীদের এহেন ভালোবাসায় অঙ্কুশ যে আল্পুত, সেটা ভোর চারটে অবধি মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা অভিনেতার ‘এনার্জি’ই বলে দেয়।
View this submit on Instagram
প্রসঙ্গত ‘দশেরা’র দিন গোটা দেশে রিলিজ করবে ‘রক্তবীজ ২’। জাতীয়স্তরে রিলিজের জন্যেও নবরাত্রির মরশুমকেই বেছে নিয়েছেন নির্মাতারা। আর দশেরা মানেই রাবণবধ। এই সিনেমা যেমন সন্ত্রাস নামক ‘অসুরবধে’র কথা বলে, তেমনই ‘রক্তবীজ ২’ মুক্তির দিন হিসেবে দশেরাকেই বেছে নিয়েছেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ২ অক্টোবর, ওই একই দিনে গোটা দেশে সাতটি ভাষায় মুক্তি পাচ্ছে ঋষভ শেট্টির ‘কান্তারা আ লেজেন্ড: চ্যাপ্টার ওয়ান’।
