স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


ঘরের চৌকাঠে কোনওরকম বাড়াবাড়ি সহ্য করতে নারাজ উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জন উন। আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের যৌথ মহড়া শেষ হতেই মিসাইল ধেয়ে এল উত্তর কোরিয়ার। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ জানিয়েছে, শনিবার সকালে পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উড়ে পূর্ব সাগরে পড়ে। গত তিন সপ্তাহের বিরতির পর ফের একবার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া। এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ দক্ষিণ কোরিয়া।

গত সোমবার থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে শুরু হয়েছিল আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের পাঁচ দিনের যৌথ সামরিক মহড়া ‘ফ্রিডম এজ’। এই ঘটনার পরই উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, এই সামরিক মহড়ার পালটা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে পিয়ংইয়ং জানায়, ‘যে কোনও ধরনের সামরিক মহড়া আসলে যুদ্ধের উসকানি’। সেই মহড়া শেষের একদিন পর শনিবার পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উড়ে পূর্ব সাগরে পড়ে।

আরও পড়ুন:

শনিবার পূর্ব উপকূলের ওয়নসান এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা প্রায় ২৫০ কিলোমিটার উড়ে পূর্ব সাগরে পড়ে।

উল্লেখ্য, গত মাসে উত্তর কোরিয়া নিয়ে কিছুটা সুর নরম করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ‘ট্রুথ সোশাল’-এ লিখেছিলেন- ‘উত্তর কোরিয়ার কিম জং উনের সঙ্গে আমার অত্যন্ত ভালো সম্পর্কের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় আমেরিকার দীর্ঘদিনের অংশগ্রহণের বিষয়টি আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হচ্ছে না।’ পাশাপাশি তাঁর দাবি, ‘এই মহড়াগুলো কেবল ব্যয়বহুলই নয়, যার বড় একটি অংশ (বরাবরের মতোই) আমেরিকাকে বহন করতে হয়— বরং এগুলি এমন একটি দেশের প্রতি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও শত্রুতার বার্তা পাঠায়, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন কোনও হুমকি দেয়নি। এবং সর্বদা শ্রদ্ধাশীল আচরণই করেছে।” ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে অনেকেই অবাক হন। কেন হঠাৎ কিমের প্রতি ট্রাম্প এমন ‘নরম’ মনোভাব দেখাচ্ছেন তা নিয়ে বিস্মিত ওয়াকিবহাল মহল।

কিন্তু ট্রাম্প ‘শান্তির বাণী’ শোনালেও উত্তর কোরিয়া যে সেসবে কান দিচ্ছে না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কিমের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামরিক মহড়ার সময়সীমা ও পরিসর কমানো হলেও এর উসকানিমূলক ও আগ্রাসী চরিত্র বদলাবে না। আমেরিকা মনে করতেই পারে, যে তাদের সাম্প্রতিক পদক্ষেপটিকে তারা তথাকথিত ‘সদিচ্ছা’র নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরতে পারবে, কিন্তু তারা কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাবে না।’

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *