- দীপশিখা পোদ্দার
– কী রে দিদি? সকাল থেকে এতবার ফোন করছি, ধরছিস না কেন? কী করছিস বলতো?
– কী আর করব, আমার কপালের পিণ্ডি চটকাচ্ছি।
– এই রে! সকাল সকাল আবার কী হল!
– আর বলিস কেন, ওই যে আমাদের কাজের বৌ, রানি ভবানী, উনি কাজ করে চলে যাবার পর আমাকে তো আবার একপ্রস্থ কাজে নামতে হয় তাই না! কেননা উনি তো কাজ করেন না, কাজ বাড়িয়ে রেখে যান। রোজ দিন কিছু না কিছু ক্ষয়ক্ষতি তাকে করতেই হবে।
– আজ আবার কী করল!
– আরে সেই যে তোতে আমাতে গিয়ে ষষ্ঠীতলার মেলা থেকে কাচের দুটো প্লেট কিনেছিলাম, মনে আছে? সেই যে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ভিজতে গেলাম…, ডিজাইনটা কী সুন্দর ছিল বল! একদম আনকমন, তার একটা তো সে কাজে ঢুকে প্রথমেই ভেঙে দিয়েছে, আর একটা অবশিষ্ট ছিল, আজ সেটাকে আমার চোখের সামনে ঝনঝন করে ভেঙে দিল।
– ও মা! ভেঙে দিল মানে! ইচ্ছে করে ভেঙে দিল?
নইলে আর বলছি কী, বলে কিনা হাত ফসকে পড়ে গেছে! আসলে ওরা এগুলো ইচ্ছে করেই করে, জানিস তো, ভালো কোনও জিনিস দেখলেই ওদের হাত নিসপিস করে, কতক্ষণে সেটাকে ভাঙবে। নষ্ট করবে। কই, ওদের নিজেদের ঘরের জিনিসপত্র তো এভাবে ধ্বংস করে না! আর আমি একটা গাধা, এখন ঘরময় ঝেঁটিয়ে ঝেঁটিয়ে সব পরিষ্কার করছি। না করলে তো কাচগুলো আমাদের পায়েই ফুটবে, বল না!
– তা ওকেই বললি না কেন? যে ভাঙল তারই তো পরিষ্কার করে দিয়ে যাওয়ার কথা! শ্রাবণীরও খুব রাগ হচ্ছে, সত্যিই তো এভাবে শখের জিনিসপত্র ভাঙবেই বা কেন? সে তো বাচ্চা মেয়ে নয়! রীতিমতো তরতাজা একজন তরুণী! একটু দেখেশুনে কাজ করবে না! অবশ্য শ্রাবণীর নিজের ঘরের সহায়িকা মেয়েটিও তো হরেদরে একই রকম। তবে তার আবার অন্য রোগ। কাজকর্ম মোটামুটি পরিষ্কার। জিনিসপত্র ভাঙাভাঙিও করে না। কিন্তু রোগ একটাই। মাসের মধ্যে ছয়-সাতদিন তার কামাই। বললেই মুখ হাঁড়ি করে বলবে, তোমার না পোষালে বাপু অন্য লোক দেখে নাও। আমাদের শরীরটাও তো শরীর! আমরা তো আর কাঠের পুতুল না!
বোনের সমর্থন পেয়ে মনে একটু জোর পেয়েছে রম্যাণী, বলে, বলিনি কি আর, বলেছি। কী বললে জানিস? বলে, ‘তোমার এই কাচভাঙা পরিষ্কার করতে গেলে এখন আমার গোটা দিন লেগে যাবে। বাকি বাড়ির কাজগুলো তাহলে কে করবে, তুমি? তার চেয়ে তুমি বরং ঝাঁট দিয়ে কাচগুলো এক জায়গায় জড়ো করে রাখো, আমি কাল এসে ফেলে দেব।’ কত বড় আস্পর্ধার কথা তুই ভাব একবার? আমার জিনিস ধ্বংস করবে আবার আমাকে দিয়েই পরিষ্কার করাবে! আর কথার কী ধরন! যেন ও মালকিন আর আমি ওর সহায়িকা!
– এরকম লোককে কাজে রেখে দিয়েছিস কেন? ছাড়িয়ে দে। লোকের কি অভাব আছে নাকি! তাছাড়া তার কাজও তো পরিষ্কার না শুনেছি। এরকম কাজের লোক রাখার চেয়ে নিজের কাজ নিজে করে নেওয়া ঢের ভালো, তাতে অন্তত মনের মধ্যে জ্বালাপোড়াটা থাকে না।
– কিন্তু তারও কি উপায় আছে? আমার সে পথ বন্ধ।
– মানে? সে আবার কী কথা? পথ বন্ধ মানে কী?
– ওই যে তোর জামাইবাবু! তিনি তাকে কিছুতেই কাজ থেকে ছাড়াতে দেবে না। ছাড়ানোর কথা বললেই তার কী গোসা! তেজ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে। একদিন তো ওই কাজের বৌয়ের সামনেই ওর পক্ষ নিয়ে আমাকে যা তা করে বলেছে। তারপর থেকে আরও মাথায় চড়েছে ও। আরও কত ঘটনা আছে! সেসব তোরা কেউ জানিস না! আমিই বলিনি। গেল বার পুজোতে কী করেছে জানিস?
– কে?
– কে আবার, তোর জামাইবাবু!
– জামাইবাবু? কী করেছে?
– দুটো শাড়ি কিনে এনেছে। একই দাম। একই কোয়ালিটি। শুধু ডিজাইন আর রং আলাদা। শাড়ি এনেছে দেখে আমার তো খুব আনন্দ। বললাম, দুটো শাড়ি একই রকম আনতে গেলে কেন? দুটো দু’রকম নিতে হয়! সে কী বললে জানিস? বলে, ‘দুটোই তোমার কে বলেছে? একটা তোমার আর একটা ভবানীর।’ তুই ভাব, কাজের বৌ আর আমার অবস্থান ওর কাছে এক? কোথায় নামিয়ে আনল আমাকে! আরও কত ঘটনা! কত বলব! কাজের বৌটা এখন বুঝে গেছে এ বাড়িতে ওর জায়গা কোথায়। ও পরিষ্কার আমাকে ওর রাইভাল ভাবতে শুরু করেছে।
রম্যাণী একটু থামে। তারপর ধীর গলায় বলে, আমি ছেলেকে বলেছি, বাবান, আমাকে তোর কাছে বেঙ্গালুরু নিয়ে চল। এখানে থাকতে আমার ভালো লাগছে না। জানি না ছেলে কী করবে!
– হুম, বুঝলাম। শ্রাবণীর ভেতর থেকে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। সে আরও কিছু বলতে গিয়ে নিজেকে সামলে নিল। দিদির সঙ্গে সম দুঃখের পাল্লায় নিজেকে তুলতে গিয়েও বিরত থাকল। কেননা, শ্রাবণী জানে, জীবনে এমন অনেক দুঃখ থাকে যার সমান্তরালে কাউকে পেলেও তার পাশে প্রকাশ্যে নিজেকে দাঁড় করাতে কোথায় যেন লাগে! মনে হয়, সেটা নিজেরই লজ্জা। নিজের হার। অপমান।
শ্রাবণীর মনে আছে ওর ছেলে হওয়ার সময় বাড়িতে একজন আয়া রাখা হয়েছিল। বাচ্চাটা তখন সারারাত কাঁদত। শ্রাবণী ঘুমোতে পারত না। ফলে রাতে আয়া ছাড়া গত্যন্তর ছিল না। অনেকদিন ছিল বছর তিরিশের সেই বিধবা মহিলাটি। শ্যামলা রং। বেশ মিষ্টি আর বুদ্ধিদীপ্ত মুখশ্রী। চেহারায় ঢলো ঢলো ভাব ছিল। অনেক দূর থেকে আসত বলে পরের দিকে তাকে রাত-দিনের জন্যই রেখে দেওয়া হয়েছিল। সেটাই বোধহয় সবচেয়ে বড় ভুল হয়েছিল। সেই ভুলটা শ্রাবণীকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, জীবনের এক আশ্চর্য আর অবিশ্বাস্য সত্যকে।
এমন কিছু আচরণ, এমন এমন সব ব্যবহার সেসময় পীযূষের মধ্যে লক্ষ করেছিল শ্রাবণী, যা ওদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে বিরাট ফাটলের জন্ম দিয়ে গিয়েছে। সেই ফাটল আজও রিপেয়ার হয়নি। আর কি কখনও হবে? সেই আয়া কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর বহুদিন পর্যন্ত শ্রাবণী টের পেত, তার আর পীযূষের মাঝখানে ওই মহিলার তীব্র উপস্থিতি। পীযূষ যে মনে মনে মহিলাটির কত কাছে চলে গেছিল! শ্রাবণীর মন বলে পীযূষকে আজও সেখান থেকে পুরোপুরি সরিয়ে আনা যায়নি।
মানুষ নিজের জীবন দিয়ে যে সত্যকে উপলব্ধি করে, তা মন থেকে কখনও মুছে যায় না। তাই কাজের বৌয়ের প্রতি রম্যাণীর রাগ-ক্ষোভ-বিরক্তির অন্তর্নিহিত কারণটা শ্রাবণীর কাছে জলের মতো পরিষ্কার। শ্রাবণী মনে মনে দিদির মনঃকষ্টের পাশে দাঁড়ায়। সমবেদনার হাত রাখে। রম্যাণী সেটা দেখতে পায় না। তার বুকের ভেতরে যন্ত্রণাটা ছটফট করে। শ্রাবণীর ভেতরটাও মুচড়ে ওঠে। দিদিটা সারাজীবন শুধু কষ্ট পেয়ে গেল! একজন বিবাহিতা নারীকে সবচেয়ে নিঃস্ব করে দেয় স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া অবজ্ঞা আর অপমানগুলো।
বিয়ের পর থেকে দিদি সেটাই পেয়ে এসেছে। জামাইবাবু কি কখনও সুখ দিয়েছে দিদিকে? সম্মান দিয়েছে? ইদানীং দিদির চোখেমুখে কেমন একটা বয়সের ছাপ। অথচ সেটা হওয়ার কথা নয়! সবে ছেচল্লিশে পড়েছে রম্যাণী। শ্রাবণীর থেকে মাত্র তিন বছরের বড়। রম্যাণীর বিয়ে হয়েছিল বেশ কম বয়সে। বারো ক্লাসে পড়তে পড়তে প্রেম, তার পরপরই বিয়ে।
জামাইবাবু ছিল দিদির গৃহশিক্ষক। পাড়ার ছেলে। নামী একটা সরকারি স্কুলে পড়াত তখন জামাইবাবু। ওদের প্রেমের কথা জানাজানি হতে বাবা আর দেরি করেনি। দিদির আঠারো বছর পূর্ণ হওয়ার পরের মাসেই চার হাত এক করে দেয়। কিন্তু বিয়ের বছর দুয়েক যেতেই দিদি আর জামাইবাবুর মধ্যে কেমন একটা দূরত্ব, একটা ছাড়া ছাড়া ভাব তৈরি হয়ে গেছিল। সেটা শ্রাবণী বেশ বুঝতে পারত। কিন্তু সেসব নিয়ে সে দিদি বা জামাইবাবু, কারও সঙ্গেই কোনও কথা বলেনি। ও যে বিষয়টা বুঝতে পেরেছে সেটাই বুঝতে দেয়নি কখনও।
আজ দিদির কথাবার্তায় সেই পুরোনো বিষয়টা উঠে এল শ্রাবণীর মনে। কিন্তু কষ্ট পাওয়া ছাড়া তার কী-ই বা করার আছে! সংসারে প্রতিটি বিবাহিত মেয়ের জীবনের ছবি তো কমবেশি একইরকম। সুন্দর নিটোল দাম্পত্য আর কজনের কপালে জোটে! তার নিজের জীবনেও কি জুটল! আসলে একটা বয়সের পর, সম্পর্ক একটু বয়স্ক হলে সব দাম্পত্যের মধ্যেই বুঝি ঢুকে পড়ে নানা অবাঞ্ছিত আবর্জনা। কচুরিপানার মতো সেসব আবর্জনা জীবনের স্রোতে ভেসে ভেসে আসে আবার চলেও যায়। আবার নতুন আবর্জনার আগমন ঘটে।
তবে এইসব আবর্জনা যে শুধুমাত্র রক্ত-মাংসের নারী-পুরুষই হবে, তা নয়। অনেক সময় সেই প্রিয়ত্বের জায়গা দখল করে নেয় নানা নেশা। সে নেশা হতে পারে মদ, জুয়া, রাজনীতি, ধর্মীয় আফিমের আকর্ষণ, বা আরও ভয়ংকর কোনও টান। কেউ পশুপাখি পোষে। কেউ বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা, বেড়ানোটাকে নেশার পর্যায়ে নিয়ে যায়। মোদ্দা কথা, দাম্পত্যজীবনের একঘেয়েমির শিকল থেকে বেরোতে হাতের কাছে যে যা পায়, যখন যা পায় তাকেই প্রবলভাবে আঁকড়ে ধরে। সেখানে ভালো-মন্দ, ভুল-ঠিক, যুক্তিগ্রাহ্যতা বা ক্ষয়ক্ষতি- এসব বিচারবোধ কাজ করে না।
শ্রাবণী আর কোনও শব্দ করেনি। মুখে কোনও কথা আসেনি ওর। কানে ফোন ধরাই আছে। ভাবনায় হারিয়ে আছে মন। ও ভাবছে ভবানীর কথা। ভাবছে সেই আয়া মহিলাটির কথা। পৃথিবীর সব নারীই কোথাও না কোথাও তো আশ্রয়হীন। অবলম্বনহারা। একা। শরীরে, মনে আজন্ম চির একাকিনী মেয়েরা। সেই একাকিত্বের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে একটুখানি আশ্রয়ের জন্য কে যে কখন কোন পথ বেছে নেয়! তারা নিজেরাও কি তা জানে? সেই একাকিত্বের পথ ধরেই হয়তো ভবানী এগিয়ে গিয়েছে জামাইবাবুর দিকে। যেমন পীযূষের দিকে এগিয়ে গিয়েছিল সেই আয়া মহিলাটি।
ওদিকে রম্যাণীও নিশ্চুপ। তারও কানে ফোন ধরা। তারও মনের মধ্যে ভিড় করে আসছে নানা কথা। বিষাদের বেদনায় তার ভিতর থেকে ক্ষয়াটে একটা কান্না গলার কাছে উঠে আসছে। অনেকদিন পর আজ আবার কান্না পাচ্ছে রম্যাণীর। প্রাণ খুলে, নিজেকে উজাড় করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে তার। আসলে দুঃখও তো একটা সমব্যথী অনুষঙ্গ চায়। কারও কাছে সান্ত্বনার আশ্রয় চায় সেও। রম্যাণীর কষ্টগুলো, অপমানগুলো কখনও তো কারও কাছে আশ্রয় পায়নি! একা একা জমতে জমতে ক্রমশ পাথর হয়ে উঠেছে তারা।
প্রথম প্রথম যখন রম্যাণী টের পেতে শুরু করল যে, সৌমেন তাকে আর ভালোবাসে না, এমনকি ওর আচরণ-ব্যবহার থেকে স্বাভাবিক সৌজন্যবোধটুকু পর্যন্ত উবে গিয়েছে, তখন প্রায় সময় একা একা কাঁদত রম্যাণী। ওই কান্নাটুকুই ছিল তখন তার যন্ত্রণার কিছুটা উপশম। কিন্তু প্রাত্যহিক ব্যবহারে অশ্রুর গতি একসময় শ্লথ হয়ে আসে। জলধারা শুকিয়ে যায়। তখন কষ্টের জায়গার দখল নেয় রাগ, ক্ষোভ, প্রতিহিংসা। কান্নারা তখন চেহারা বদলে পাথর হয়ে ওঠে।
রম্যাণী ভাবছে, বোনের কাছে নিজের ব্যক্তিগত কষ্টের কথাগুলো বলাটা কি ঠিক হল? সে দ্বন্দ্বে ভুগছে। বলতে পেরে কিছুটা হালকা লাগছে ঠিকই, কিন্তু মনের মধ্যে কোথায় যেন কাঁটা ফুটছে। শত হলেও সৌমেন তার স্বামী। এরপর শ্রাবণীর চোখে সৌমেন কতখানি নীচে নেমে যাবে, কতটা অশ্রদ্ধার পাত্র হয়ে উঠবে- সেকথা ভেবে একটা বিশ্রী ধরনের অস্বস্তি হচ্ছে ওর। একটা মন বিষয়টাকে সমর্থন করছে। বলছে, যা করেছ, ঠিক করেছ। কেন বলবে না? শ্রাবণী তো বাইরের কেউ নয়! সে তোমার সহোদরা। নিজের বোন। মানুষ তো সুখ-দুঃখের কথা আপনজনের সঙ্গেই শেয়ার করে! আরেকটা মন বলছে, না বললেই ভালো হত। কারও দুঃখের ভাগ কি কেউ নিতে পারে?
সবকিছু মিলেমিশে রম্যাণীর ভেতর থেকে একটা অসহায় কান্না বমির মতো উগলে বেরিয়ে আসতে চাইছে। একজন নারীকে যখন তার সবচেয়ে কাছের মানুষটির দিকে আঙুল তুলতে হয়, যখন অন্যের কাছে প্রিয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ডালি মেলে ধরতে হয়, তখন কাজটি যাকে করতে হয়, একমাত্র সে জানে সেই কষ্টের তীব্রতা কতটা ভীষণ!
#
বাইরে শীতের দুপুর গাঢ় হচ্ছে। হালকা রোদে চাদর গায়ে জড়িয়ে মাঝ পৌষের আলতো হাওয়া ঢুকে পড়ছে মানুষের ঘর-গেরস্থালির অন্দরমহলে। মনেও কি ঢুকে পড়ছে না!
ফোনের দু’প্রান্তে শান্ত গাছগাছালির মতো চুপ করে আছে দুজন নারী। যেন বা থমকে আছে। ফোনের একপ্রান্তে শ্রাবণী। অন্য প্রান্তে রম্যাণী। দুজন সহোদরা। জীবনের একই রণাঙ্গনে সহযোদ্ধা তারা। দুজনের কেউ কোনও শব্দ করছে না। শুধু ফোনের দুই প্রান্তে কিছু চলমান শব্দ বয়ে যাচ্ছে নীরবে। অন্যদিকে, দুজন নারী, ধাক্কা খাওয়া আহত দুজন মানুষ, তাদের দাম্পত্য জীবন তন্নতন্ন করে খুঁজে চলেছে যদি কোথাও একটুখানি দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া যায়!
The put up সহযোদ্ধা appeared first on Uttarbanga Sambad.
