সম্পত্তি বিবাদের জের, সপার মহিলা শাখার প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও

সম্পত্তি বিবাদের জের, সপার মহিলা শাখার প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সমাজবাদী পার্টির মহিলা শাখার প্রধানকে বেধড়ক মার। সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের চন্দৌলি জেলায়। জানা যাচ্ছে, সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে এলাকার এক প্রাক্তন ব্লক সভাপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাতে নিগৃহীত হন ওই সপা নেত্রী গার্গী প্যাটেল। এই ঘটনার ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ভাইরাল হয়েছে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ।

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, গার্গী প্যাটেল সমাজবাদী পার্টির চন্দৌলি জেলার মহিলা শাখার সভাপতি। গত বৃহস্পতিবার মুঘলসরাই কোতোয়ালি এলাকার মাদিয়া গ্রামে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন গার্গী। জানা যাচ্ছে, ওইদিন কাশী বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি প্যায়ারেলাল যাদব ব্যবসা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য গার্গীর বাড়ি এসেছিলেন। তাঁরা দু’জন কোনও একটি ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে গার্গীর বাড়িতে উপস্থিত হন যাদবের স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে। অল্প সময়ের মধ্যেই দুই পরিবারের অশান্তি চরমে ওঠে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দুই মহিলা ও দুই যুবক মিলে গার্গীকে ব্যাপক মারধর করছেন। চুলের মুঠি ধরে চলছে এলোপাথাড়ি কিল-চড়-ঘুষি। পাশে দাঁড়িয়ে এক বয়স্ক ব্যক্তি তাঁদের থামানোর চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন:

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, দুই মহিলা ও দুই যুবক মিলে গার্গীকে ব্যাপক মারধর করছেন। চুলের মুঠি ধরে চলছে এলোপাথাড়ি কিল-চড়-ঘুষি। পাশে দাঁড়িয়ে এক বয়স্ক ব্যক্তি তাঁদের থামানোর চেষ্টা করছেন।

ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নিগৃহীত গার্গীর অভিযোগ, যাদব ও তাঁর পরিবারের লোকেরা জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তিনি থামানোর চেষ্টা করলে তাঁকে মারধর করা হয়। পুলিশকে গার্গী জানিয়েছেন, তাঁকে লাথি, ঘুসি মারার পাশাপাশি চুলের মুঠি ধরে টেবিলে ঠুকে দেওয়া হয়েছে। লোহার রড দিয়ে এলোপাথাড়ি মারা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, যাদবের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব যার জেরে এই হামলা হতে পারে। পাশাপাশি এই ভুল বোঝাবুঝি তৈরির নেপথ্যে রাজনৈতিক ভূমিকা থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করে গার্গী।

হামলার ঘটনার পর গার্গীর মেয়েই প্রথম পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত নেত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনন্ত চন্দ্র শেখর বলেন, ”অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা জেনেছি দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবসা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এফআইআর-এ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *