মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসাবে মাঠে নেমে তিনি শুনেছেন, তাঁর নামে দুয়ো ধ্বনি দিচ্ছে মুম্বই সমর্থকরাই! সতীর্থরাও এহেন আচরণের প্রতিবাদ করেননি। ২০২৪ সালে মুম্বইয়ের নেতৃত্বভার নেওয়ার পরে এটাই ছিল হার্দিক পাণ্ডিয়ার অভিজ্ঞতা। টানা তিনবছর দলের মধ্যেও বিদ্রোহের শিকার হয়েছেন তিনি, এমনটাই শোনা যায়। সবমিলিয়ে, ক্রিকেটমহল মনে করছে, মানসিকভাবে শেষ হয়ে গিয়েছেন হার্দিক। মুম্বই শিবির থেকে তিনি মুক্তি চান।
এবারের আইপিএলে নবম স্থানে শেষ করেছে মুম্বই। এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের পর হার্দিক পাণ্ডিয়ার নেতৃত্ব অনুবীক্ষণ যন্ত্রের তলায় পড়ছে। গত তিন মরশুম মুম্বইয়ের অধিনায়ক থেকেছেন হার্দিক। কিন্তু সাফল্য আসেনি। গতবছর প্লেঅফে উঠেছিল মুম্বই, ছিটকে যায় দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে। ফলে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, মুম্বইয়ের মতো সফল ফ্র্যাঞ্চাইজির বিচারে হার্দিক যোগ্য অধিনায়ক তো? রোহিত শর্মার অধিনায়কত্বে মুম্বইয়ের যা ফর্ম ছিল, হার্দিক জমানায় তার এত দুর্দশা কেন?
আরও পড়ুন:
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইপিএলের এক সূত্র বলছে, “মানসিকভাবে হার্দিক প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। প্রবল চাপের মধ্যে ছিলেন। মুম্বইয়ের প্লেঅফ স্বপ্ন শেষ হতেই হার্দিক জানিয়ে দিয়েছিলেন, দলের সঙ্গে তিনি আর থাকতে চান না।” অর্থাৎ আইপিএলের মধ্যে মুম্বই ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন হার্দিক। তবে তারপরেও দলের হয়ে মাঠে নেমেছেন। আইপিএলের এই সূত্র বলছে, “সকলের বোঝা উচিত, “হার্দিকের বয়স মাত্র ৩২। তাঁর সহ্যেরও একটা সীমা আছে। মুম্বইয়ের যে ড্রেসিংরুম ছেড়ে হার্দিক গিয়েছিলেন, সেটা ২০২৪ সালে আর ফেরত পাননি।”
নাম না করে রোহিতের দিকে আঙুল তুলেছেন আইপিএলের ওই সূত্র। তাঁর কথায়, “হার্দিকের প্রতি সিনিয়র ক্রিকেটারদের মানসিকতা একেবারে পালটে গিয়েছিল। দলের মধ্যে এত মতপার্থক্য তৈরি হয়, আর টানতে পারছিলেন না হার্দিক। তাই মরশুমের মাঝপথেই সিদ্ধান্ত নেন দল ছাড়ার।” ওই সূত্রের দাবি, সিনিয়ররা মুম্বইয়ের জার্সিতে ১০০ শতাংশ দেননি। খবর ছড়াচ্ছে, মুম্বইয়ের নতুন অধিনায়ক হবেন এমন কেউ, যিনি রোহিতের আশীর্বাদধন্য। তারপরেই হার্দিককে নিয়ে এমন বিস্ফোরক খবর প্রকাশ্যে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
