‘শ্লীলতাহানি’তে মানসিক যন্ত্রণায় ‘আত্মঘাতী’ নাবালিকা, গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার

‘শ্লীলতাহানি’তে মানসিক যন্ত্রণায় ‘আত্মঘাতী’ নাবালিকা, গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


কিশোরীর শ্লীলতাহানি! অপমানে ‘আত্মহত্যা’নির্যাতিতার। গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার পেঁড়ো থানা এলাকায়। ধৃত সিভিকের বিরুদ্ধে পুলিশ পকসো ধারায় ও আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোরী হাওড়া পেঁড়ো থানা এলাকায় মাতোর বর্গক্ষেত্র পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর মা পেঁড়ো থানার সিভিক ভলান্টিয়ার লাল্টু মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। মঙ্গলবার রাতে ওই কিশোরী মায়ের সঙ্গে আমতায় মামাবাড়ির এলাকায় এক জায়গায় কালীপুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে যায় লালটুও। অভিযোগ সিভিক ভলান্টিয়ার কিশোরীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। আরও অভিযোগ, কিশোরী শৌচালয় গেলে সেখানে ঢুকে পড়ে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার। অভিযোগ সেখানে কিশোরীর শ্লীলতাহানি করে লাল্টু। মর্যাদাহানি হওয়ায় এরপর ওই কিশোরী বাড়িতে এসে ভেঙে পড়ে। বুধবার ওই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়ির মধ্যে থেকে।

আরও পড়ুন:

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পেঁড়ো থানার পুলিশ। এলাকাবাসী দেহ উদ্ধারে বাঁধা দেয় পুলিশকে। তাঁরা অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি তোলেন। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তাঁরা। স্থানীয়রা পুলিশকে তাড়া করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। বুধবার রাতে মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে পেঁড়ো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ সিভিক ভলান্টিয়ার লাল্টুকে গ্রেপ্তার করে। হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার পুলিশ সুপার সুবিমল পাল বলেন, “অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পকসো ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগের মামলা দায়ের করা হয়েছে।” ধৃতের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *