চতুর্থ দিনের শুরুতেই জয় ছিনিয়ে নিল বাংলা। রনজি ট্রফিতে সার্ভিসেসকে ইনিংস ও ৪৬ রানে হারালেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। যার ফলে বোনাস পয়েন্ট নিয়ে রনজির নকআউট নিশ্চিত করে ফেলল বাংলা। মহম্মদ শামি, আকাশ দীপ, সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল, মুকেশ কুমারদের গতির আগুনে ছারখার হয়ে গেল সার্ভিসেসের ব্যাটিং। শনিবারই লক্ষ্মীরতন শুক্লর দলের জয়ের দেওয়াল লিখন স্পষ্ট ছিল। রবি-সকালে কল্যাণীতে দ্রুত সার্ভিসেসের বাকি দুই উইকেট ফেলে ম্যাচ জিতে নেয় তাঁরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে মহম্মদ শামির শিকার ৭ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫১ রান দিয়ে ৫ উইকেট পান। এরপরও কি জাতীয় দলে ব্রাত্য থাকতে হবে?
আরও পড়ুন:
সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে প্রথম দিনই বাংলা ছিল চালকের আসনে। দ্বিতীয় দিনের শেষে রীতিমতো জয়ের গন্ধ পেয়ে গিয়েছিল বঙ্গ ব্রিগেড। সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের বিচারে, এই মুহূর্তে দেশের সেরা পেস অ্যাটাক রয়েছে বাংলার ঝুলিতে। বাংলার দেওয়া ৫১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সার্ভিসেস প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় ১৮৬ রানে। বাংলার হয়ে ডবল সেঞ্চুরি করেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (২০৯)। ফলোঅনের পর ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসের শেষে তাদের রান ছিল ৮ উইকেটে ২৩১।
প্রথম ইনিংসে সুরজ ৪, আকাশদীপ ৩, শামি ২ এবং শাহবাজ নেন ১ উইকেট। মরশুমে প্রথমবার চার পেসারকে একসঙ্গে পেয়েছেন কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ৩৩৩ রানে পিছিয়ে থাকার চাপ নেওয়াটা যে সহজ নয়, তা বাংলার আন্তর্জাতিক মানের পেসারদের সামনে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন সার্ভিসেস ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসেও তাঁরা ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েন। শামির বলে তখন রীতিমতো ভিরমি খাচ্ছেন সার্ভিসেস ব্যাটাররা। সেখান থেকে মোহিত আহলাওয়াত (৬২) এবং রজত পালিওয়াল (৮৫)-এর সৌজন্যে লড়াইয়ে ফেরে তারা। তাঁদের জুটিতে ওঠে ১১৯ রান। মোহিতকে ফেরান মুকেশ কুমার। জমে যাওয়া রজতকে ফেরান শামি। এরপর ধসের সামনে পড়ে সার্ভিসেস। একটা সময় মনে হচ্ছিল, শনিবারই না শেষ হয়ে যায় ম্যাচ।
আরও পড়ুন:
তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ চতুর্থ দিনে গড়ায়। তবে তা কিছুক্ষণের জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৮৭ রানে গুটিয়ে যায় সার্ভিসেস। ইনিংসে জেতার সুবাদে বোনাস পয়েন্টে জিতল বাংলা। হরিয়ানার বিরুদ্ধে গ্রুপে বাংলার শেষ ম্যাচ এখন নিয়মরক্ষার।
সর্বশেষ খবর
