আট-আটটি চেম্বার, প্রেসক্রিপশন প্যাডে বিশাল বিশাল ডিগ্রি, রোগী পিছু ৮০০ টাকা! এভাবেই বছরের পর বছর ধরে সোনারপুরের ঘাসিয়াড়া এলাকায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে চলেছিলেন ‘চিকিৎসক’। কিন্তু চিকিৎসার নামে এই ‘লোক ঠকানোর ব্যবসা’ বেশিদিন চলল না। ওই চিকিৎসক ভুয়ো, এই অভিযোগ পেয়ে তল্লাশিতে নেমে পুলিশ নিজেই রোগী সেজে যায় তাঁর কাছে। আর তাতেই হাতেনাতে ধরা পড়েন ভুয়ো চিকিৎসক। সোমবার রাতে ধৃত ওই ব্যক্তির নাম বিশ্বরূপ আচার্য। আজ তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।
নিজেকে অঙ্কোলজিস্ট পরিচয় দিয়ে সোনারপুরের ঘাসিয়াড়া এলাকায় চেম্বার খুলেছিলেন বিশ্বরূপ। তাঁর প্রেসক্রিপশন প্যাডে এফআরসিএস-এর মতো বিদেশি ডিগ্রি লেখা। এক-দুটি নয়, গত কয়েকবছরে ওই এলাকায় মোট ৮টি চেম্বার খুলে ফেলেছিলেন ভুয়ো চিকিৎসক। রোগী পিছু ৮০০ টাকা করে ফি নিতেন। এভাবে পসার জমানোর পাশাপাশি বেশ বড়লোকও হয়ে উঠেছিলেন।
আরও পড়ুন:
নিজেকে অঙ্কোলজিস্ট পরিচয় দিয়ে সোনারপুরের ঘাসিয়াড়া এলাকায় চেম্বার খুলেছিলেন বিশ্বরূপ। তাঁর প্রেসক্রিপশন প্যাডে এফআরসিএস-এর মতো বিদেশি ডিগ্রি লেখা। এক-দুটি নয়, গত কয়েকবছরে ওই এলাকায় মোট ৮টি চেম্বার খুলে ফেলেছিলেন ভুয়ো চিকিৎসক। রোগী পিছু ৮০০ টাকা করে ফি নিতেন। এভাবে পসার জমানোর পাশাপাশি বেশ বড়লোকও হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু বিধি বাম! সম্প্রতি এক বাড়ি ভাড়া নিয়ে নতুন একটি চেম্বার খুলেছিলেন বিশ্বরূপ। তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা হয় বাড়ির মালিকের। তিনি সোনারপুর থানায় ওই চিকিৎসক ভুয়ো, এই সন্দেহ প্রকাশ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ।
সোমবার রাতে পুলিশ রোগীর ছদ্মবেশে বিশ্বরূপের চেম্বারে যান। দু, একটি কথাবার্তাতেই বোঝা যায় তাঁর দৌড়। ‘ডাক্তারবাবু’কে হাতেনাতে ধরতেই ফাঁস হয় সবটা। জানা যায়, বিশ্বরূপ আচার্য আদৌ চিকিৎসক নন। তাঁর সমস্ত ডিগ্রি ভুয়ো। গ্রেপ্তার করা হয় বিশ্বরূপকে। কোথা থেকে তিনি এসব ভুয়ো ডিগ্রি জোগাড় করলেন, কারাই বা এর নেপথ্যে রয়েছে, এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃতকে বারুইপুর আদালতে তোলা হবে, পুলিশ তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
