যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যজ্ঞ মজদুর সংঘের, প্রশাসনকে বার্তা আরএসএস ঘনিষ্ঠ সংগঠনের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যজ্ঞ মজদুর সংঘের, প্রশাসনকে বার্তা আরএসএস ঘনিষ্ঠ সংগঠনের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে অরবিন্দ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ এবং বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করল আরএসএস ঘনিষ্ঠ ভারতীয় মজদুর সংঘ। আন্দোলনরত কর্মী-শিক্ষক সংগঠনের তরফে শুক্রবার সেখানে যজ্ঞ করা হয়। তাঁদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ফিন্যান্স অফিসারের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও এবং ৬০ বছর বয়স পেরিয়ে গেলেও বেআইনিভাবে তাঁদের পদে বহাল রাখা হয়েছে। এভাবে তাঁদের চাকরিতে বহাল রাখায় নতুন প্রজন্ম চাকরির অধিকার হারাচ্ছে। এর জন্য দায়ী কর্তৃপক্ষই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও প্রশাসনের ‘শুভবুদ্ধির উদয়’ হোক, এই কামনায় শুক্রবার প্রতীকী যজ্ঞের আয়োজন করা হয় অরবিন্দ ভবনের সামনে। এমনই জানিয়েছে সংগঠনের নেতৃত্ব। তাদের আরও দাবি, পবিত্র অগ্নিতে কর্তৃপক্ষের উপর থেকে ‘অশুভ’ প্রভাব কাটবে। তবে অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসের প্রাচীন হেরিটেজ ভবনের সামনে এভাবে আগুন জ্বালিয়ে কর্মসূচি পালনে আপত্তি জানান রেজিস্ট্রার সেলিম বক্সি। তিনি বিষয়টি নিয়ে উপাচার্যের কাছে রিপোর্টও করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও প্রশাসনের ‘শুভবুদ্ধির উদয়’ হোক, এই কামনায় শুক্রবার প্রতীকী যজ্ঞের আয়োজন করা হয় অরবিন্দ ভবনের সামনে। এমনই জানিয়েছে সংগঠনের নেতৃত্ব। তাদের আরও দাবি, পবিত্র অগ্নিতে কর্তৃপক্ষের উপর থেকে ‘অশুভ’ প্রভাব কাটবে। তবে অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসের প্রাচীন হেরিটেজ ভবনের সামনে এভাবে আগুন জ্বালিয়ে কর্মসূচি পালনে আপত্তি জানান রেজিস্ট্রার সেলিম বক্সি। তিনি বিষয়টি নিয়ে উপাচার্যের কাছে রিপোর্টও করেন। রেজিস্ট্রারের সঙ্গে একমত পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ। বিশেষত যুক্তিবাদী পড়ুয়ারা। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একদল পড়ুয়ার কথায়, ‘‘ভাবতেই পারছি না, ক্যাম্পাসের হেরিটেজ ভবনের সামনে আগুন জ্বালিয়ে যজ্ঞ করা হচ্ছে! কারও অনুমতি না নিয়ে যারা এটা করল, আমরা তাদের বিরুদ্ধে উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাব।’’

ক্যাম্পাসে যজ্ঞ করাকে অবশ্য কোনও অন্যায় দেখছেন না আয়োজকরা। তাঁদের তরফে এক কর্মীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মঙ্গল কামনায় এই যজ্ঞ। এতে আপত্তির কী আছে? ক্যাম্পাসে মিছিল, সভা হলে তাতে যদি ক্ষতি না হয়, তাহলে যজ্ঞ নিয়েও আপত্তির অবকাশ নেই। একই মত অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদেরও।

এভাবে ক্যাম্পাসে যজ্ঞ করাকে অবশ্য কোনও অন্যায় দেখছেন না আয়োজকরা। তাঁদের তরফে এক কর্মীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মঙ্গল কামনায় এই যজ্ঞ। এতে আপত্তির কী আছে? ক্যাম্পাসে মিছিল, সভা হলে তাতে যদি ক্ষতি না হয়, তাহলে যজ্ঞ নিয়েও আপত্তির অবকাশ নেই। একই মত অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদেরও। তাদের হাতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে অতি বাম ছাত্র সংগঠনের ‘আজাদি’ স্লোগান। বলা হচ্ছে, এধরনের স্লোগান তোলা বা কার্যকলাপের হাত থেকে বাঁচতে যজ্ঞের মাধ্যমে শুদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি ক্যাম্পাসে বিজেপি-আরএসএস ঘনিষ্ঠ তিনটি সংগঠনকে ঘর বরাদ্দ করা হলেও তা গ্রহণ করেনি পিভিকেএস। অতি বাম ছাত্র সংগঠনের পাশে যাতায়াতের অনুপযোগী জায়গায় ঘর দিয়ে বিবাদ উসকে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছে বলে তাদের দাবি।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *